নয়াদিল্লিঃ করোনা ভাইরাসের কারণে ইতিমধ্যে চিনের বিরুদ্ধে গিয়েছে একাধিক দেশ। বেশ কিছু দেশের সংস্থা ইতিমধ্যে চিন থেকে নিজেদের ব্যবসা গুটিয়ে অন্যত্র যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে। তারই মধ্যে ভারতে ভিইউ টেকনোলোজির তরফে জানানো হয়েছে এই লক ডাউনে তাদের প্রায় ৫০ হাজারের কাছাকাছি টেলিভিশন মে মাসে বিক্রি হয়েছে। দেশ জুড়ে লক ডাউনের মধ্যেও এই হারে বিক্রি হওয়াতে খুশি হয়েছেন ওই সংস্থার সকলেই।

সংস্থার চেয়ারম্যান এবং চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার দেভিতা সরাফ জানিয়েছেন, লক ডাউনের মধ্যেও তাদের এই সংস্থার সাফল্য যথেষ্ট আকর্ষণীয়। দেশ জুড়ে সব পরিষেবা বন্ধ থাকার মধ্যে গত মে মাসের মধ্যে সব থেকে বেশি টিভি বিক্রি হয়েছে এই সংস্থার। অন্যান্য শক্ত প্রতিযোগী স্যামসং, এলজি, সোনির মোট কোম্পানি থাকতেও দেশীয় সংস্থাকেই বেছে নিয়েছে দেশের মানুষকে। তাবড় তাবড় সংস্থাকে থেকে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে ভিইএউ সংস্থাটি।

সাংবাদিকদের সামনে জানানো হয়েছে দেশ জুড়ে চিনের পন্য বয়কট হওয়ার হাওয়া জোরাল হওয়াতে আরও বেশি প্রভাব পরেছে। আর সেই কারণে গ্রাহকেরা চিয়া পন্য ছেড়ে এই ধরনের সংস্থার দিকে ঝুকেছে। এছাড়াও সীমান্তে ভারত এবং চিনের সম্পর্কের প্রভাবও এক্ষেত্রে কাজ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। দেভিতা সরাফের তরফে জানানো হয়েছে চিন বিরোধী মনোভাবের কারণে বেড়েছে তাদের পন্য বিক্রি।

এছাড়াও একাধিক ই কমার্স সাইটের তরফে জানানো হয়েছে একদিনে প্রায় ২ হাজারের কাছাকাছি টিভি সেট বিক্রি করা হয়েছে। এছাড়া এও জানিয়েছেন বাইরে থেকে এই সেট গুলি নিয়ে এসে স্থানীয় স্থানীয় ভাবে সেগুলি ঠিক করে এসেম্বল করা হয়। যাতে খারাপ হলেও সাধারনের সেগুলি ঠিক করতে কোন অসুবিধা না হয়। অন্যান্য দেশ থেকেও তারা পন্য নিয়ে আসেন।

আর এই চিন বিরোধী মনভাব কাজে লাগিয়ে যথেষ্ট কৌশলের সঙ্গে নিজেদের পন্য বিক্রি করতে সমর্থ হয়েছেন এই সংস্থা। এছাড়া জানা গিয়েছে এই সংস্থার কর্মীরা এখনও পর্যন্ত কোন রকম অসুবিধার মুখোমুখি হননি। যেখানে বেশ কিছু সংস্থা কর্মী ছাতাইয়ের দিকে হাতছে সেখানে দাঁড়িয়েছে এই সংস্থার কর্মী চাটাইয়ের খবর এখনও সামনে আসেনি। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে কর্মীদের প্রয়োজনীয় সাহায্য করা হচ্ছে। যাতে তারা কোন অসুবিধার মধ্যে না পরেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।