ফাইল ছবি

বেঙ্গালুরু: উত্তর পূর্বের রাজ্য অসমের এনআরসি নিয়ে বিতর্ক চলছেই। নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি-র নামে অসমে বাঙালি খেদাও অভিযান শুরু হয়েছে বলে উঠেছে অভিযোগ। এবার সেই একই অভিযোগ উঠল দক্ষিণ ভারতের রাজ্য কর্ণাটকে।

বৃহত্তর কর্ণাটকের অতি পরিচিত একটি জায়গা হচ্ছে হোয়াইট ফিল্ড। কলকাতার রাজারহাটের সঙ্গে হোয়াইট ফিল্ডের তুলনা করা যায়। ফাঁকা জমিতে অনেক ফ্ল্যাট হচ্ছে। অনেক মানুষ সেখানে বসবাস করে। হয়াইট ফিল্ডে বসবাসকারীদের অধিকাংশই বাঙালি।

হোয়াইট ফিল্ডের বস্তি এলাকায় বসবাসকারী বাংলাভাষী মানুষদের এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় পুর কর্তৃপক্ষ। পুরসভার পক্ষ থেকে অভিযগ করা হয়েছে ওই ওই বস্তিতে থাকা মানুষেরা সকলেই বাংলাদেশের নাগরিক। অবৈধ উপায়ে পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত হয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে।

যদিও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে পুর নির্দেশের কবলে পড়া সকলেই পশ্চিমবঙ্গের নাগরিক। বাংলাদেশী তকমা দিয়ে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রথমে স্থির করা হয়েছিল যে ওই বস্তির বাসিন্দাদের কলকাতার ট্রেনে তুলে দেওয়া হবে। গত সোমবার ছিল চুড়ান্ত সময়সীমা। কিন্তু স্থানীয় বামপন্থীদের আন্দোলনের মুখে পিছু হটতে হয়েছে বেঙ্গালুরু পুরসভাকে। পুর নির্দেশ দুই দিনের জন্য পিছিয়ে গিয়েছে।

কর্ণাটক রাজ্যের শাসন ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস এবং জেডি(এস) জোট। কিন্তু হোয়াইট ফিল্ড এলাকার বিধায়ক আবার বিজেপি নেতা। এই উচ্ছেদ সংক্রান্ত সমগ্র কর্মকাণ্ডের পিছনে মহাদেবপুরার বিজেপি এমএলএ এবং ওই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরবিন্দ লিম্বাভালি রয়েছেন বলে অভিযোগ।

উচ্ছেদের কবলে পরা বাংলাভাষীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সিপিএম বিধায়ক মহম্মদ সেলিম। তিনি বলেছেন, “এরা আসলে নদীয়া-মালদা-মুর্শিদাবাদ এই সব জেলারই লোক। কিন্তু যখন থেকে বিজেপি সভাপতি উইপোকা-র মতো ফ্যাসিস্ট ভাষা ব্যবহার করে বাঙালিদের আক্রমণ করা শুরু করেছেন তখন থেকেই এদের ওপর খড়্গ নেমে এসেছে। ছোটবড় বিজেপি নেতারাও চরম উৎসাহে বাঙালি খেদাতে নেমে পড়েছে।”

মহম্মদ সেলিম আরও বলেছেন, “আমাদের শ্রমিক শাখার লোকজন ও ব্যাঙ্গালোরের আইটি সেক্টরের বহু অ্যাক্টিভিস্ট এই উচ্ছেদের বিরুদ্ধে বিশাল জমায়েত করে দুদিন বাড়তি সময় আদায় করেছেন। এর মধ্যে আমরা কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলে কী করা যায় দেখছি।”

এর পিছনে বিজেপির বিভেদের রাজনীতি রয়েছ বলেও দাবি করেছেন রায়গঞ্জের সাংসদ। তাঁর কথায়, “বিজেপিই কলকাঠি নেড়ে ব্যাঙ্গালোরের মিউনিসিপাল কর্পোরেশনকে দিয়ে এই উচ্ছেদ করাতে চাইছে। অথচ এদের প্রায় সবারই আধার কার্ড, গ্রাম পঞ্চায়েতের পরিচয়পত্র বা ঠিকানার প্রমাণ সবই আছে – এবং এদের বেশির ভাগই অত্যন্ত গরিব মুসলিম।”

বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে কর্ণাটকে অভিবাসী শ্রমিকরা আসতেন বিহার বা ওডিশা থেকে। কিন্তু গত দুতিন বছর ধরে যারা আসছেন তাদের বেশির ভাগই বাংলাদেশি। দলের মুখপাত্র ডাঃ ভামান আচারিয়া বলেছেন, “সীমান্ত পেরিয়ে তারা প্রথমে পশ্চিমবঙ্গে আসেন, সেখান থেকে পাড়ি দেন দক্ষিণ ভারতে। কিন্তু পুলিশ এখন দেখতে পাচ্ছে তাদের বেশির ভাগ পরিচয়পত্রই জাল, তারা এদেশে অবৈধভাবে বাস করছেন।” বিজেপির আরও দাবি, কর্নাটকে চার লক্ষ ”অবৈধ বাংলাদেশী” বাস করছেন ও স্থানীয় মানুষের রুটিরুজিতে ভাগ বসাচ্ছেন- তাই এই ইস্যুতে আপস করা সম্ভব নয়।

12 COMMENTS

  1. What the BSF personnels are doing?Why don’t though they stop illegal immigration?To create a situation of hate ,which shall enhance the political base of BJP?Please don’t be a rumour monger to fuel the politics of hate,or someday you people will be kicked out from Bengaluru.

  2. Bangladeshi te bhore gacha desh ta Assam,Westbengal hoye roj Anuprobeshkari ra Bharate dhukcha..ader k ber na korle desher nirapotta janno jhuki Hobe..West Bengal er srimanto anchol gulo te roj Notun Notun Madrassa fire utcha r sei sobe jehadi sikkha dewa hochha..Appnara Jodi srimanto area gulo te jan tahole nij chokhe dekhte parben..

  3. Bangoadeshi der e tarano hoche, media house gulo seta bhul prochar chalache bangali tokma diye. Assam e Amar onek relatives thake tader konorokom kono harassment e Porte hoina r hobeo na karon Tara bharotiyo. R bharotiyo age hoye uthun na hole bharot thakbe na!

  4. ভারতীয় না বাংলাদেশী প্রমাণ করতে সাহায্য করা উচিত সব রাজনৈতিক দলের, তা না করে ঘৃণ্য রাজনীতি করা জাতীয়তাবাদী বিরোধী আন্দোলন।

  5. Yes. They are the Bangladeshi infiltrators. They sneak into West Bengal and settle in bordering districts for sometime. Meanwhile they make necessary documents for identity and ration card through fraudulent way with the help of political parties, local muslims and corrupt govt. officials.Thereafter they leave for other places of India for better living.

  6. Actually akhon India te present situation holo Bangla Bhasa Bolte Parle se Bangla desi. Amar Mone hoi Kichu kutta kal awaz tulbe hoi Bangla bhasa Charo na hoi Bharat Charo.

  7. I live in Whitefield and I have observed this on a daily basis. Entire area is now full with these Bangladeshi immigrants. They are settling down in big numbers and thus changing the socio economic demographics of this area. Not to mention that they are threat to our society.
    They sneak into India through WB – thanks to TMC govt and then spread across the country country. TMC has already destroyed Kolkata and WB. Now it is allowing these Bangladeshis to move other parts of our country.

    And we Bengalis are watching it without critisizing!

  8. এইই বাংলাদেশিরা যেন তৃণমূলের সহায়তায় পশ্চিমবাংলায় আবার না ঢুকে পড়ে। খুব ভয়ে আছি।

Comments are closed.