সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা :  ফ্যাশন ট্রেন্ড অনুযায়ী নিজের ওয়ার্ডরোব সাজানোটাই এখন ‘ফ্যাশন ইন’।  কিন্তু ওয়ার্ডরোব অনুযায়ী নিজের ফ্যাশন ট্রেন্ড তৈরি করার বিষয়টা বেশ আনকমন। আর সেটাই করছে অ্যন্থেলিয়ন। আপনার ড্রেস , লুক, স্কিল টোনে যে জাঙ্ক জুয়েলারিটা খাপ খাবে ঠিক সেরকমই জুয়েলারি আপনাকে দেবে এই অনলাইন জুয়েলারি ষ্টোরের।

ফরাসি ভাষায় অ্যন্থেলিয়ন কথার অর্থ বৃষ্টির পরে সূর্যের হলুদ ছটা। এই হলুদ আভা বড়ই সুন্দর। সূর্যের আলো হয়েও আরামদায়ক এই রং। ঠিক তেমন ভাবেই কলকাতার এই নতুন অনলাইন জুয়েলারি ষ্টোরের স্টক আপনার অগোছালো ওয়ার্ডরোবের জন্য সুখকর হয়ে উঠতে পারে। যাত্রা শুরু হয়েছে এই বছরের গোড়াতেই। কিন্তু এর মধ্যেই টিন–এজার থেকে গৃহবধূ সবার মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে অ্যন্থেলিয়নের জুয়েলারি।

অনলাইন ষ্টোরে গলার, কানের দুল ছাড়াও রয়েছে ঝুমকো, নোস পিন, বালি, ঢাল টোন সব ধরনের জাঙ্ক জুয়েলারি মিলবে। জুয়েলারি পাওয়া যাবে আপনার সাধ্যের মধ্যেই। ৫০ টাকার দুল যেমন রয়েছে তেমন রয়েছে দেড় হাজার টাকার গয়নাও। আবার আপনার চাহিদা যদি আরও একটু বেশী হয় ঠিক তেমন ভাবেই আপনার পছন্দকে রূপ দিয়ে সঠিক ঠিকানায় পৌঁছে দেবে অ্যন্থেলিয়ন। আর সঙ্গে স্টোরের স্পেস্যালিটি অনুযায়ী পরিবেশনার ব্যবস্থা তো আছেই।

অনলাইন স্টোরের কর্ণধার সৃজা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “ আমি নিজে প্রচন্ড ফ্যশনেবল। তাই আমার চারপাশের প্রত্যেকটি মানুষকে ফ্যশনে দেখতে ভালোলাগে। ভালো লাগে মানুষকে রঙচঙে দেখতে। আর সেই জন্যই শুরু করলাম অ্যন্থেলিয়ন।” তিনি এও জানিয়েছেন একজন মানুষ হিসাবে স্বাধীনতাটা প্রচন্ড জরুরী। সেটা অর্থনৈতিক থেকে সামাজিক সব ক্ষেত্রেই প্রয়োজন। আর সেটাই অ্যন্থেলিয়ন শুরু করবার অন্যতম উদ্দেশ্য।

আগামী দিনে অ্যান্থেলিয়নকে ঠিক কোথায় দেখতে চাইছেন? সৃজা বলেন, “আমার কোনও মার্কেটিং টিম নেই। কোনও মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজিও নেই।” আগামী এক বছরে প্রত্যেকের গয়নার বাক্সে একটা অ্যান্থেলিয়নের প্রোডাক্ট পৌঁছে দেওয়াটাই তাঁর লক্ষ্য। সৃজার কথায়,  “ অনেকেই বাড়িয়ে চরিয়ে অনেক কথাই বলতে পারে। নিজের সন্তানকে কেউ ভালো বলবে সেটাও স্বাভাবিক। কিন্তু আমি এসব পারিনা। তাই বাকি কথা থাক।” এই বাকি উত্তরগুলো তাহলে কোথা থেকে পাওয়া যাবে?  সৃজা বলছেন, “ওই উত্তর সময় বলবে।” আরও কিছু পড়ে থাকলে… তা বাড়ি বয়ে বলে যাবে অ্যান্থেলিয়ন প্রেমীরা।