নয়াদিল্লি: বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন আরও এক তৃণমূল বিধায়ক। সঙ্গে ১৮ জন কাউন্সিলর। লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকেই মুকুল রায়রা হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছিল যে, শতাধিক বিধায়ক যোগ দেবেন বিজেপিতে। একের পর এক বিধায়ককে বিজেপিতে যোগদান করিয়ে সেই বার্তাই আরও স্পষ্ট করছে বিজেপি।

সোমবার আলিপুরদুয়ারের তৃণমুল বিধায়ক উইলসন চম্প্রামারি যোগ দিতে চলেছেন বিজেপিতে। কালচিনি কেন্দ্রের বিধায়ক তিনি। ইতিমধ্যেই তিনি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন যে, ১৮ জন কাউন্সিলরকে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন তিনি। চম্প্রামারি জানিয়েছেন, আরও একাধিক নেতা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য তৈরি আছে, তারা হাই কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।

উইলসন চম্প্রামারি

শুধু এই বিধায়কই নন। আজ সোমবার সদলবলে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্র। সেইসঙ্গেই বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি সহ ১২ জন সদস্য এবং গঙ্গারামপুর ও বুনিয়াদপুর পুরসভার অধিকাংশ কাউন্সিলারও। ফলে বিপ্লব মিত্র বিপ্লব মিত্র যোগদান করলে উত্তরবঙ্গে শাসকদল তৃণমূলে বড় ধাক্কা হতে পারে বলে মত রাজনৈতিকমহলের। শোনা যাচ্ছে, বিপ্লব মিত্রের সঙ্গে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তাঁর বহু অনুগামী।

সূত্রের খবর, উত্তরবঙ্গের চার বিধায়ক বিজেপি শিবিরে যোগাযোগ করেছিল। তার মধ্যে উইলসন চম্প্রামারি প্রথম বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন। এই প্রসঙ্গে মুকুল রায় বলেছেন, অনেক বিধায়কই বিজেপিতে যোগ দিতে চান। সময় এলেই তাঁদের সামনে আনা হবে।

ইতিমধ্যে বিজেপির হাতে এসেছে ভাটপাড়া সহ একাধিক তৃণমূল পরিচালিত পুরসভা। বিজেপির হাতে আসতে চলেছে আরও তিন-তিনটি পুরসভা। ইতিমধ্যে সেই সমস্ত পুরসভার কাউন্সিলররা বিজেপিতে যোগদান করেছে। যদিও মুকুল দায় দাবি করেছেন, শুধু দুই কিংবা তিনটে নয়, আগামী কয়েকমাসের মধ্যেই বহু পুরসভাই তাঁদের হাতে চলে আসবে। শুধু তাই নয়, গত কয়েকদিন আগেই বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন নোয়াপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক সুনীল সিং, বনগাঁর বিধায়ক। আর এভাবে গেরুয়া শিবিরে ক্রমশ শাসকদলের বিধায়কদের ভিড় বাড়ায় চিন্তার ভাঁজ ক্রমশ বাড়ছে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।