স্টাফ রিপোর্টার,কলকাতা: সরশুনা প্রতারণাকাণ্ডে মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ আরও একজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ৷ এই নিয়ে মুকুল ঘনিষ্ঠ দু’জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ৷ বিজেপি নেতা বাবান ঘোষের পর এবার বাবুঘাট থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে সাদ্দাম আলিকে৷

গত বুধবার সকালে গ্রেফতার করা হয় বিজেপি জনতা মজদুর ট্রেড ইউনিয়নের রাজ্য সভাপতি বাবান ঘোষকে৷ যদিও মঙ্গলবার রাতেই তাকে আটক করে পুলিশ৷ তারপর তাকে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়৷ সেই জেরায় উঠে আসে সাদ্দাম আলির নাম৷ এরপরই তার খোঁজ শুরু করে পুলিশ৷ অবশেষে বাবুঘাট থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ এর আগে ধৃত বাবান ঘোষকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে ২৮ শে অগাস্ট পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। শকুন্তলা পার্কের বাসিন্দা বাবান মূলত দক্ষিণ কলকাতার প্রভাবশালী বিজেপি নেতা৷

আরও পড়ুন : ছাঁকনি দিয়ে তৃণমূলকেই ছাঁকছেন, ‘চা-ওয়ালা’ মমতাকে পালটা আক্রমণ বিজেপির

উল্লেখ্য়, রেলের স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ পাইয়ে দেওয়ার জন্য দফায় দফায় ৭০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের নেতা তথা টলিউডের একটি বিজেপি সংগঠনের সভাপতি বাবান ঘোষের বিরুদ্ধে৷ সরশুনা থানায় এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ দায়ের করেছে স্থানীয় বাসিন্দা সন্তু গঙ্গোপাধ্যায়। ওই এফআইআর-এ নাম রয়েছে বিজেপি নেতা মুকুল রায়েরও৷

ব্যবসায়ী সন্তু গঙ্গোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ২০১৫ সালে সুরেশ প্রভু রেলমন্ত্রী থাকাকালীন বিজেপি নেতা বাবান ঘোষ তাঁকে রেলের স্থায়ী কমিটিতে স্থায়ী সদস্য পদ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন৷ সন্তুবাবুকে সংসদেও নিয়ে যাওয়া হয়৷ রেলের দফতর থেকে মন্ত্রীর সই করা কিছু কাগজও তাঁকে দেওয়া হয়েছিল৷ কিন্তু পরে যখন আমার সন্দেহ তখন সেই কাগজগুলো নিয়ে পূর্ব রেলের সদর দফতর ফেয়ারলি প্লেসে গিয়েছিলাম৷

ওই ব্যবসায়ীর দাবি পরবর্তী ক্ষেত্রে যখন তিনি বুঝতে পারেন পুরোটাই প্রতারণা, তখন তিনি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। তারপরই ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ৷ তারপরই দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়৷ ধৃত সাদ্দাম আলিকে আজ আদালতে তোলা হয়৷