বেঙ্গালুরু: যদি করোনা বিধি না মানা হয় তবে লকডাউনের পথে যেতে পারে বেঙ্গালুরু। শহরের মিউনিসিপ্যাল এজেন্সির প্রধান মঞ্জুনাথ প্রসাদ একথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শহরের মানুষ করোনার নিয়ম নাছেন না। অনেক জায়গাতেই থাকছে না সামাজিক দূরত্ব। এরপর একমাত্র লকডাউনের বিকল্পই খোলা থাকে। সরকারি অফিসার, চিকিৎসক এবং জয়েন্ট স্পেশ্যাল কমিশনারদের সঙ্গে কথা বলেই একথা জানিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি বেঙ্গালুরুর তিনটি জায়গায় ব্যাপকহারে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে একটি হল নার্সিং কলেজ ও বাকি দুটি রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্স। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে সুধাকরও লকডাউনের ইঙ্গিতকে বাতিল করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আমি রাজ্যের কমিশনারদের করোনা নিয়ম মানা হচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য লোক নিয়োগ করতে বলেছি। গত কয়েকদিনে সংক্রমণ বেড়েছে। প্রায় ১.২৭ শতাংশ। যদিও এটি খুব বেশি বেড়েছে তা নয়। এই পরিস্থিতিতে কর্নাটকে লকডাউন প্রয়োজন নেই।”

এদিকে নাগরিক সংস্থার তরে জানানো হয়েছে যদি করোনার নিয়ম সবাই না মেনে চলে তবে ভবিষ্যতে বড়সড় সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে। মঞ্জুনাথ প্রসাদ বলেছেন, “রাজ্যের জনসংখ্যা ১৩ মিলিয়ন। প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ জন সংক্রমিত হচ্ছেন। কেরল ও মহারাষ্ট্রে তীব্র গতিতে বাড়ছে সংক্রমণ। আমদের সীমান্তে এই দুই রাজ্যই রয়েছে। সীমান্তে রাজ্যের প্রচুব মানুষ বাস করেন। শহরের মানুষ করোনার নিয়ম মানছেন না। এমন চললে গত কয়েকদিনে আমরা সমস্যায় পড়ব।”

ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রের আমরাবতীতে শুরু হয়েছে লকডাউন। করোনা বিধি না মানলে রাজ্যেও লকডাউনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে।মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী জানান, অমরাবতী থেকে প্রায় এক হাজার সংক্রমণের ঘটনা সামনে এসেছে। এটা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে আমাদের সমস্ত প্রস্তুতি একেবারে তৈরি, কিন্তু সাধারণ মানুষকেও সতর্ক হতে হবে। সাধারণ মানুষ যদি মাস্ক না পরে, তবে লকডাউন করতে হবে। আপাতত করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার ঘটনায় সোমবার থেকে সরকারী সভা, ধর্মীয় সভা, রাজনৈতিক সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, মহারাষ্ট্র সরকার কর্তৃক সমস্তা সভা অনলাইনে হবে। পরবর্তী ৮ দিন করোনার বিস্তার রোধের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই ৮ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে বোঝা যাবে এটা করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা কিনা। ঠাকরে বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেককে দায়িত্ব নিতে হবে। আমরা একটি নতুন ক্যাম্পেন শুরু করছি, ‘I am Responsible’.”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।