লখনউ: কাঠুয়া মামলা এখনও দগদগে৷ তবু রেহাই মিললনা আর এক আট বছুরের৷ মাত্র আটে পা দেওয়া শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করে তার গলা কেটে দেওয়া হয়েছে৷ ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের এটায়৷

আট বছরের শিশু কন্যাকে নিয়ে তার বাব মা গিয়েছিলেন একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে৷ তার মাঝেই ঘটে যায় অঘটন৷ বাচ্চা মেয়েটির উপর শারীরিক নির্যাতন চালোনর পর তাকে প্রাণে মেরে দেওয়া হয়৷ নৃশংসভাবে কেটে ফেলা হয়েছে তার গলা৷ কাঠুয়ার পর আবারও একইভাবে শারীরিক নির্যাতন করে হত্যার এই মামলা সামনে আসার পরেই ত্রস্ত হয়ে পড়েছেন সকলেই৷

অভিযুক্তের নাম সোনু৷ তার বয়স ১৮ বছর৷ তাকে যখন গ্রেফতার করা হয় সে নেশার ঘোরে মৃত শিশুর পাশে শুয়েই ঘুমোচ্ছিল৷ সূত্রের খবর, রাত প্রায় দেড়টা নাগাদ সবাই তখন বিয়ের আসর নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন৷ সেসময় ভীষণ জোরে মাইকে গান বাজছিল৷ আশেপাশে কেউ ছিলনা৷ এমনকি মাইকের আওয়াজে আশপাশের কোনও আওয়াজও শোনা যাচ্ছিলনা৷ তখনই অভিযুক্ত সোনু সুযোগ বুঝে ওই শিশুকন্যাকে তুলে নিয়ে যায়৷

একটি অর্ধনির্মিত ঘরে তাকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে ওই যুবক৷ তারপর তার গলা কেটে দেয়৷ স্থানীয়রা জানিয়েছেন তখন মেয়েটিকে বহুক্ষণ ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলনা তখন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়৷ খুঁজতে খুঁজতে সবাই পৌঁছে যান ওই ঘরে৷ সেখান থেকেই ৮ বছরের ওই শিশুকন্যার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়৷ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পক্সো আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে৷