নয়াদিল্লি: ভারত বায়োটেকের পর ফের আরও এক ভারতীয় সংস্থা ভ্যাক্সিনের হিউম্যান ট্রায়ালের পথে। একদিকে ভারত বায়োটেকের ‘কো ভ্যাক্সিন’ ইতিমধ্যেই মানবদেহে ট্রায়ালের অনুমতি পেয়ে গিয়েছে।

এবার সামনে এল আরও এক ভারতীয় সংস্থার নাম। আমেদাবাদের জাইডাস ক্যাডিলা হেল্থকেয়ার লিমিটেডও এবার মানবশরীরে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পথে। দ্রুত অনুমোদন পেয়েছে ওই সংস্থা।

সংস্থার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ডিসিজিআই ড. ভি জি সোমানি অনুমোদন দিয়েছেন যাতে ফেজ ওয়ান ও ফেজ ২ ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল করা যায়। অন্য প্রাণীর শরীরে এই ভ্যাক্সিনের সফল পরীক্ষা হয়েছে।

চলতি জুলাই মাসেই ‘ভারত বায়োটেকের’ তৈরি ‘কোভ্যাক্সিন’ টিকা মানবদেহে ট্রায়াল শুরু হচ্ছে। মোট দু দফায় চলবে এই পরীক্ষা। ছাড়পত্র মিলেছে ডিসিজিআই এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের।

হায়দরাবাদের ওষুধ প্রস্তুকারক সংস্থা ভারত বায়োটেককে এই কাজে যৌথভাবে সহায়তা করেছে আইসিএমআর। গত সোমবার করোনার টিকা আবিষ্কারের কথা ঘোষণা করেন ভারত বায়োটেকের চেয়ারম্যান এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডঃ কৃষ্ণ ইল্লা।

সরকারি সূত্রে খবর, মঙ্গলবারের বৈঠক থেকে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, মানব দেহে করোনার ভ্যাক্সিন পরীক্ষায় ড্রাগ কন্ট্রোলার এজেন্সি অফ ইন্ডিয়ার তরফে সবুজ সংকেত মিলেছে। খুব শীঘ্রই মানুষের দেহে এই প্রতিষেধক ব্যবহারের পরীক্ষা চালানো হবে। তবে তার আগে ভ্যাক্সিনটি পশুর দেহে প্রয়োগ করা হয়েছে এবং সাফল্য মিলেছে। ফলে এবার মানব দেহে প্রয়োগের পালা।

এই ভ্যাক্সিন তৈরীর বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক এবং ‘ডিজিসিআই’ এর ছাড়পত্র মেলার পরই ওষুধ তৈরীর কাজ শুরু করে দেয় ‘আইসিএমআর’ এবং ‘এনআইভি’।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ