জেনেভা: সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে করোনার থেকেও মারাত্মক ভয়াবহ একটি রোগ। যা কিনা করোনার থেকেও প্রাণঘাতী। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সবসময় হালকা জ্বর থাকে। অস্থিরতা তৈরি হয়। কাশির সময় অসহনীয় ব্যথা হয় এবং শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। জনাকীর্ণ অঞ্চলে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ে। এই রোগের ক্ষেত্রেও রোগীকে আলাদা রাখা হয়। এর কারণে প্রতি বছর করোনাভাইরাসের চেয়ে বেশি লোক মারা যায়।

প্রতি বছর সারা বিশ্বে প্রায় দেড় মিলিয়ন মানুষ এই রোগের কারণে মারা যায়। এই ভয়াবহ সংক্রামক রোগের নাম যক্ষ্মা (টিবি)। এটিই একমাত্র রোগ যা পুরো পৃথিবীর কোনও কোণকেই রেহাই দেয়নি।

নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রতিবছর বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে টিবির কারণে, তবে এবছর এই হিসেবের ব্যতিক্রম হয়েছে। টিবির পরেই এইচআইভি এবং ম্যালেরিয়ার কারণে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। এ বছর গোটা বিশ্বে করোনার ভাইরাসের কারণে মানুষ অন্যান্য রোগ নিয়ে ভাবছে না। তবে সেগুলিও বাড়ছে।

যদি এইচআইভি রোগীদের আরও ছয় মাস অ্যান্টিভাইরাল থেরাপি না দেওয়া হয় তবে এই রোগের কারণে পাঁচ লক্ষ মানুষ মারা যাবে। একই সঙ্গে হু-এর তথ্য অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী ম্যালেরিয়াজনিত কারণে মৃত্যুর সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে ৭ লক্ষ ছাড়িয়ে যাবে।

পশ্চিম আফ্রিকাতে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ শুরু হয়েছে। বিশ্বের এই অংশে, সারা বিশ্বে ম্যালেরিয়াতে মারা যাওয়া মোট ৯০ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়। লকডাউন এবং চিকিত্সা সুবিধার অভাবের কারণে আগামী দশ মাসে প্রায় ৬৩ লক্ষ টিবি রোগের ঘটনা সামনে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। ১৪ লাখ লোক মারা যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

করোনার সঙ্গে মোকাবিলা করতে ব্যস্ত রয়েছেন ডাক্তার, নার্স, প্যারা-মেডিক্যাল স্টাফরা। ফলে তাঁরা অন্যান্য রোগের জন্য সময় দিতে পারছেন না, ফলে বিশ্বজুড়ে এক অদ্ভূত অবস্থার সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

করোনার ভাইরাসের মোকাবিলা করতে গিয়ে যদি অন্যান্য রোগের সঠিক তত্ত্বাবধান না হয় সেক্ষেত্রে পুরো বিশ্বে ২১৪ লাখ কোটি টাকার লোকসানের মুখে পড়বে। যা প্রকৃতপক্ষে অনেকটা টাকা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।