নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন কবে তাদের বেতন বৃদ্ধির জন্য ঘোষণা হবে সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুসারে নতুন মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ। বিভিন্ন সূত্রে খবর সরকারের সেই ঘোষণা হতে পারে দোলের আগে।

সম্প্রতি বিভিন্ন মহলে সরকারি কর্মীদের ৪ শতাংশ হারে ডিএ বৃদ্ধি হতে পারে বলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষত এবারের সাধারণ বাজেট পেশের পর সর্বভারতীয় উপভোক্তা মূল্যসূচক ঘোষণার পর।এরা সকলেই তাকিয়ে রয়েছে ডিয়ারনেস আল্যায়েন্স(ডিএ) এবং ডিয়ারনেস রিলিফ(ডি আর) এবং এই সংক্রান্ত বকেয়া নিয়ে‌ মোদী সরকারের বড় ঘোষণার দিকে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ইতিমধ্যেই খবর হয়েছে মোদী সরকার ৪ শতাংশ পর্যন্ত মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি করতে পারেন। তার ফলে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের বেতন কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে। সে ক্ষেত্রে ৫০ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা খুশি হওয়ার পাশাপাশি ৬১ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি পেনশনভোগীদের জন্য সুখবর হতে পারে ডিয়ারনেস রিলিফ(ডি আর) ঘোষণার মাধ্যমে।

করোনা সংকট মাথাচাড়া দেওয়ার কারণে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের যে অতিরিক্ত ডিএ দেওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে তা দেওয়া হবে না। এর পাশাপাশি জানানো হয়েছিল ২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে এবং ২০২১ সালের ১জানুয়ারি থেকে যে অতিরিক্ত ডিএ এবং ডিআর দেওয়ার কথা ছিল তা দেওয়া হবে না। ব্যয় দপ্তরের একটি অফিস মেমোরেন্ডামে তা জানানো হয়েছিল। তবে তখনকার বর্তমান হারে ডিএ এবং ডিআর দেওয়া হবে।

২০২০ সালের ১জানুয়ারি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের শেষ ডিএ বাড়ানো হয়েছিল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ৪ শতাংশ বৃদ্ধি অনুমোদন করে তা ২১ শতাংশ করে ছিল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য। যদিও এপ্রিল মাসে এই ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি স্থগিত রাখা হয়।কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের ডিএ এবং ডিআর আটকে দেওয়ায় সরকারের খরচ বাঁচে ৩৭৫৩০ কোটি টাকা । ‌ সাধারণত রাজ্য গুলি এই ব্যাপারে কেন্দ্রকে অনুসরণ করে । হিসেব করে দেখা গিয়েছে কর্মী এবং পেনশনভোগীদের ডিএ এবং ডিআর স্থগিত রেখে সরকারি খরচ বাঁচছে ৮২,৫৬৬ কোটি টাকা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.