স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: চাইলে এখন থেকেই আগামী বছর পুজোয় বাইরে ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান তৈরি করে রাখতে পারেন সরকারি কর্মীরা৷ লক্ষ্মীবারে নজরুল মঞ্চে সরকারি কর্মচারিদের সম্মেলন মঞ্চ থেকে সেটাই খোলসা করলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷
ডি এ নিয়ে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বিস্তর ক্ষোভ রয়েছে৷ পুজোর মুখে মুখ্যমন্ত্রীর ১৫ শতাংশ ডিএ ঘোষণা সরকারি কর্মচারীদের সেই ক্ষোভের ক্ষতে কিছুটা হলেও প্রলেপ দিয়েছে৷ ওয়াকিবহাল মহলের মতে, লম্বা ছুটির কথা জানিয়ে সরকারি কর্মীদের মন জয়ের সেই চেষ্টা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷

গত বছর থেকে পঞ্চমীর দিন থেকেই সরকারি কর্মীদের ছুটি চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ সেই ধারা বজায় থাকছে এবারও৷ এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর, টানা ১৩ দিনের ছুটি৷’’ এরপরই সরকারি কর্মীদের মন জয় করতে হালকা রসিকতার ঢঙে মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘‘চাইলে ২৫ সেপ্টেম্বর কেউ ছুটি নিলে পুজোর ছুটির সংখ্যাটা বেড়ে ১৬ দিন হয়ে যাবে!’’ এরপরই মুখ্যমন্ত্রী তার ঝুলি থেকে বের করেন আগামী বছরের ছুটির ক্যালেন্ডার৷ তাঁর কথায়, ‘‘আগামী বছর টানা ১৫ দিনের পুজোর ছুটি৷’’ যা শুনে হাততালিতে ফেটে পড়েন উপস্থিত সরকারি কর্মীরা৷

যাতে উৎসাহিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী ফের বিঁধেছেন জ্যোতি বসু- বুদ্ধদেব ভট্টাচাযর্দের৷ বামেদের নামোল্লেখ করেই বলেছেন, ‘‘ওদের আমলে সরকারি কর্মীরা মাত্র ২৭ দিন ছুটি পেতেন৷ আমরা তা বাড়িয়ে ৩৫ করে দিয়েছি৷’’ একই সঙ্গে হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিটের বাসিন্দার সংযোজন, ‘‘আমাদের আমলেই মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়ানো হয়েছে৷’’

সব শেষে সরকারি কর্মীদের প্রতি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের অনুরোধ, ‘‘আপনাদের সমস্যা সমাধান করার দ্বায়িত্ব আমার৷ আমি সেটা পালন করার চেষ্টা করছি৷ আপনারাও সরকারি কাজকে নিজের বাড়ির কাজের মতোই ভালোবেসে দ্বায়িত্ব সহকারে পালন করুন৷’’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ