কলকাতা: পশুপ্রেমী হিসেবে টলিউডে অনেকেরই বেশ খ্যাতি আছে। তার মধ্যে শ্রীলেখা মিত্র, মিমি চক্রবর্তী, সায়ন্তিকার কথা তো অনেকেই জানে। সেই তালিকায় এবার যোগ হল আর একজনের নাম। তিনি অঙ্কুশ হাজরা। সম্প্রতি একটি বিড়ালকে খাইয়েছেন তিনি। আর সেই ভিডিও তিনি পোস্ট করেছেন ইনস্টাগ্রামে।

ভিডিওয় অঙ্কুশ বলেছেন বিড়ালটিকে তিনি সেদিনই পেয়েছেন। দেখে মনে হয়েছিল প্রাণীটি অভুক্ত। তাই তাকে দুধ খেতে দেন অঙ্কুশ। ভিডিওয় দেখা গিয়েছে ক্ষুধার্তের মতোই দুধ খাচ্ছে বিড়ালটি। তাকে আদর করতে করতে অঙ্কুশ বলেন। ওর নাম তাঁরা দিয়েছেন মিউ।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Ankush (@ankush.official)

অঙ্কুশের এই ভিডিওয় কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। অনেকেই অভিনেতার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। প্রিয় অভিনেতার এই রূপ দেখে আপ্লুত অনেকে।

তবে অঙ্কুশ কিন্তু এই করোনা পরিস্থিতিতে হাত গুটিয়ে বসে নেই। নিজের বিনোদন আর বিশ্রাম ছেড়ে তিনি সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে শুরু করে দিয়েছেন ইতিমধ্যেই। করোনা আক্রান্তদের জন্য বিনামূল্যে খাদ্য সরবরাহ করছেন তিনি। যাঁরা এই সময় হোম আইসোলেশনে রয়েছে তাঁদের জন্যই অভিনেতার এই উদ্যোগ। তাঁর এই উদ্যোগের নাম ‘বন্ধু আছি’ (Bondhu Aachi)। অঙ্কুশের সঙ্গে এই উদ্যোগে শামিল হয়েছেন গায়ক অনীক ধর (Aneek Dhar) এবং অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায় (Vikram Chatterjee)।

টলিউদের ঋতব্রত মুখার্জি, ঋদ্ধি সেন, সুরঙ্গনা বন্ধোপাধ্যায় এই সকল তরুণ অভিনেতা এবার সমাজকর্মী হয়ে সাধারণ মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। তাদের ‘দেশের নামে’ নাটকের টিমের সকলে মিলে গঠন করেছে ‘দেশের নামে’ সাহায্যকারী নম্বর। হাসপাতালে বেড, অক্সিজেন, প্লাজমা প্রমুখ প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে বলেছে তাদের সঙ্গে। বিগত কিছুদিনে তারা একাধিক মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। সাহায্য করেছে। কিন্তু এখন তারা নিজেরাই নিরুপায়। তারাও আর জোগান দিতে পারছে না বেড কিংবা অক্সিজেনের। তাই নিজেরাই নিয়েছেন এক নতুন উদ্যোগ। গঠন করেছেন কোভিড ১৯ রিলিফ সেন্টের। মুমূর্ষু করোনা রোগীদের জন্যে অক্সিজেন ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে তাদের রিলিফ সেন্টারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.