কলকাতা: বহু অনুরাগীর আজ মন ভাঙতে চলেছে। কারণ আজ টলিউডের হার্টথ্রব অনির্বাণ ভট্টাচার্যের বিয়ে। সিনেমার পর্দায় অন্য নায়িকাকে রোমান্স করতে দেখলেই মন খারাপ হয়ে যায় তাঁর মহিলা ভক্তদের। আর এবার তো বাস্তবেই সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন অনির্বাণ।

বরাবরই নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে আড়ালে রেখেছেন অভিনেতা। শুধুমাত্র নিজের কাজ ও দক্ষতা প্রকাশ করেই তিনি সব সময় খবরের শিরোনামে এসেছেন। কিন্তু এবার বিয়ে খবরে শিরোনামে অনির্বাণ। পাত্রী তার বহু দিনের বান্ধবী মধুরিমা গোস্বামী।

থিয়েটার সূত্রেই মধুরিমার সঙ্গে অনির্বাণের আলাপ বলে জানা যাচ্ছে। সিনেমা থিয়েটার গান লেখালিখি সবদিক থেকেই গুণী অনির্বাণ। ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর অনুযায়ী মধুরিমাও খুবই গুণী। তিনি একজন মূকাভিনেতা।

এই সূত্রেই তার সঙ্গে অনির্বাণের আলাপ, বন্ধুত্ব ও প্রেম। বেশ কিছু নাটকে একসঙ্গে কাজ করেছেন অনির্বাণ ও মধুরিমা। নাটকের প্রযোজনা করেছেন তারা। এছাড়াও মধুরিমার রয়েছে আরও একটি বড় পরিচয়। পদ্মশ্রী প্রাপ্ত মূকাভিনেতা নিরঞ্জন গোস্বামীর মেয়ে তিনি।

অনির্বাণ এর মতই রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন মধুরিমা। অনির্বাণ ও মধুরিমা দুজনেই নিজেদের কাজ অর্থাৎ অভিনয়কে বিয়ের একটি অংশ করে রেখেছেন। আর তাই সল্টলেকের ন্যাশনাল মাইম ইনস্টিটিউটে বিয়ে করছেন তারা। কিন্তু বিয়েতে বিশেষ হইচই করছেন না এই শিল্পী জুটি।

কোন ধর্মীয় রীতিনীতি বা মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে তারা বিয়ে করছেন না। এদিন তারা আইনি বিয়ে করছেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে কেবল পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনরাই উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে।

তবে পরে টলিউডের তারকাদের নিয়ে কোন পার্টি দেন কিনা অনির্বাণ তা সময় বলতে পারবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।