গুয়াহাটি: প্রবল বন্যায় বিপর্যস্ত অসমের জনজীবন। সেই সঙ্গে বিপর্যয়ে বন্য প্রাণীরাও। ব্রহ্মপুত্র সহ অন্যান্য নদীর জল বাড়বে আরও বলেই আশঙ্কা। এরই মাঝে বিশ্ব বিখ্যাত কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান থেকে এসেছে দুঃসংবাদ। অন্তত ১২টি গণ্ডারের মৃত্যু হয়েছে সেখানে। আরও কয়েকটি অসুস্থ। তাদের চিকিৎসা চলছে।

কাজিরাঙ্গা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্যার কবলে পড়েছে ১২৯ রকমের পশু-পাখির প্রজাতি। তবে গণ্ডারদের অবস্থা শোচনীয়। বিখ্যাত একশৃঙ্গ গণ্ডারের আবাসভূমি এই জাতীয় উদ্যান ও বনাঞ্চল।

গত কয়েকদিনের টানা বন্যা পরিস্থিতিতে কাজিরাঙ্গার বিভিন্ন স্থানে জলে পরিপূর্ণ হয়েছে। বনভূমির মধ্যে বন্যার কবলে পড়ে প্রাণীরা। গণ্ডারদের দলবল উঁচু এলাকার দিকে সরে যেতে থাকে। তারই মাঝে কয়েটির মৃত্যু হয়। সর্বসাকুল্যে সেই সংখ্যা ১২টি ছাড়াল।

অসম বনবিভাগ জানাচ্ছে, বন্যা পরিস্থিতিতে প্রতিবারই কাজিরাঙ্গা ও মানস অভয়ারণ্যের প্রাণীদের ক্ষতি হয়। এবারেও একই পরিস্থিতি।

এদিকে বন্যার তোড়ে অসমের বেশ কিছু এলাকা জলমগ্ন। বিশেষ করে নাম্মী অসমের অংশ। লক্ষাধিক মানুষ বন্যা কবলিত হয়েছেন। তাদের উদ্ধারের কাজে নেমেছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগের কর্মীরা। ছড়াচ্ছে জলবাহিত রোগ।

আর কাজিরাঙ্গা বনাঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা ও সংলগ্ন জনবসতির অবস্থাও সঙ্গিন। প্রাণীরা আশ্রয় নিতে বনভূমি ছেড়ে লোকালয়ের দিকে চলে আসছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা আরও ভীত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।