লন্ডন : মজাদার তথ্য প্রকাশ বিজ্ঞানীদের গবেষণায়। এক সাম্প্রতিক সমীক্ষা বলছে এমন বহু প্রাণী রয়েছে যারা বিপদে পড়লে মৃত্যুর ভুয়ো অভিনয় করতে পারে। যাতে শিকারির হাত থেকে বাঁচতে পারে তারা। ইংল্যান্ডের ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানাচ্ছেন প্রাণ বাঁচাতে এই সব প্রাণীরা তাৎক্ষণিক বুদ্ধির প্রয়োগ ঘটিয়ে মৃতের অভিনয় করে, যাতে শিকারি ভাবে তার শিকার মৃত।

বিজ্ঞানীরা বলছেন এমন ভাবে শিকারীর সামনে এই সব প্রাণী পড়ে থাকে, যাতে তাকে দেখে মনে হয় সেটি মৃত। ফলে বিফল মনোরথ হয়ে শিকারি ফিরে যায় অন্য গন্তব্যের বা অন্য শিকারের দিকে। সায়েন্স জার্নাল বায়োলজি লেটারসে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। চার্লস ডারউইন দেখিয়ে ছিলেন, কীভাবে একটি পতঙ্গ ২৩ মিনিট ধরে একটানা মৃতের মত অবস্থায় পড়ে ছিল।

এই ভাবে নিষ্প্রাণের মত অবস্থায় পড়ে থাকা সহজ ব্যাপার না হলেও, প্রাণ বাঁচাতে এই প্রাণীগুলি বেশ চতুরতার আশ্রয় নিয়েই কাজটি সম্পন্ন করে। এক ঘন্টারও বেশি সময় ধরে বেশ কয়েকটি প্রাণী মৃতের অভিনয় করতে পারে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসব ক্ষেত্রে বেঁচে যায় প্রাণীগুলি। কারণ শিকারি প্রাণীরা সাধারণত ক্ষুধার্ত হলেই শিকার ধরে, সেক্ষেত্রে মৃত প্রাণী দেখে তারা আর ওই প্রাণীর দিকে এগোয় না, অন্য শিকারের খোঁজে চলে যায়।

বিজ্ঞানীদের মতে এই ধরণের লুকোচুরি খেলা জীবজগতের অত্যন্ত মজাদার একটি ঘটনা। খাদ্য ও খাদকের সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অধ্যাপক নাইজেল আর ফ্রাঙ্কস জানান, ইউরোপিয়ান মেন্টিস (Mantis religiosa) প্রজাতির মাকড়শারা এই ধরণের কাজ করে। এই প্রবৃত্তি দেখা যায় আমেরিকান অপোসাম (Didelphis virginiana) নামে একটি প্রাণীর মধ্যেও। এরা বৃক্ষজীবী। প্রাণ সংশয়ের আশংকা থাকলেও এরা ঘন্টার পর ঘন্টা মৃত হিসেবে পড়ে থাকতে পারে।

বিজ্ঞানীরা উল্লেখ করেছেন আরও এক প্রাণীর কথা। ইস্টার্ন হগনোস সাপ (Heterodon platirhinos) ও বেবি ব্রাউন সাপেরা (Storeria dekayi) বিপদ আসলে সচরাচর সাপের প্রজাতি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। কিন্তু যদি তাতে কাজ না হয়, তবে মাটিতে পড়ে থেকে আকাশের দিকে মুখ করে উলটে থাকে তারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।