ফাইল ছবি

আগরতলা: শারদোৎসবের আগেই হাই কোর্টের রায়ে বলি বন্ধের নির্দেশ ঘিরে বিতর্ক বাড়ছে ত্রিপুরায়। আদালতের নির্দেশের পরেও সোমবার ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে বলি হয়। এতে সরকার বিব্রত।

যদিও সাংবাদিক সম্মেলনে আইন মন্ত্রী রতনলাল নাথ বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন এটি জানা নেই, খোঁজ নিচ্ছি।

আইনমন্ত্রী বলেন, বলি বন্ধ করার আইনের বিষয়ে আরও বিশদ জানতে ত্রিপুরা সরকার সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করবে। সাংবাদিক সম্মেলনে মন্ত্রী বলে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর এক জনস্বার্থ মামলার রায়ে হাইকোর্ট রাজ্যের সব মন্দিরে পশুপাখি বন্ধের নির্দেশ দেয়।

এই রায়ে ত্রিপুরেশ্বরী মন্দির ও পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা চতুর্দশ দেবতার মন্দিরে বলি বন্ধের জন্য সেখানকার জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। রায়ে এই সব মন্দিরের সিসিটিভি বসিয়ে ছবি তুলে রাখবার জন্য বলা হয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, বলি বন্ধ করার বিষয়টি স্পর্শকাতর। এতে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাজ্য সরকার হাইকোর্টের রায়কে পূর্ণ সম্মান জানিয়ে আরও বিস্তারিত ব্যাখ্যা জানতে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আইনমন্ত্রী রতন লাল নাথ বলেন, ধর্ম বিষয়টি সম্পূর্ণ বিশ্বাসের। সংবিধানে পশু-পাখি বলির বিরুদ্ধে নির্দেশ আছে। আবার ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদে ধর্মীয় কারণে পশুপাখি বলি কোনও অপরাধ নয় বলেই বর্ণনা করা হয়েছে। এই জটিলতা থেকেই রাজ্য সরকার আরও বিস্তারিত জানতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল পিটিশন দাখিল করবে।