মুম্বই: বড়সড় ক্ষতির হাত থেকে বাঁচলেন অনিল আম্বানি৷ সৌজন্য দাদা মুকেশ আম্বানি৷ আর এজন্য মুকেশ ও তাঁর স্ত্রী নীতাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন অনিল৷ জানিয়েছেন সময়নত দাদা পাশে এসে না দাঁড়ালে জেল হয়ে যেতে পারত তাঁর তাঁর৷

সুইডিশ টেলিকম সংস্থা ইরিকসনের কাছে বকেয়া ছিল ৪৫৮ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা৷ সেই টাকা কীভাবে পেরত দেবেন, তা নিয়ে রীতিমত সমস্যায় ছিলেন আম্বানি পরিবারের ছোট কর্তা৷ তবে সমস্যার সমাধান করে দেন মুকেশ৷ ভাইকে ধার দেন টাকা, যে টাকায় ধার শোধ করে মান বাঁচালেন অনিল৷ অনিল আম্বানির আইনজীবী জানিয়েছেন, ইরিকসনের বকেয়া টাকা মিটিয়ে দিয়েছে রিলায়েন্স কমিউনিকেশন৷

আরও পড়ুন : সোশ্যাল মিডিয়ায় হিট ‘চৌকিদার’, ট্যুইটার দ্বন্দ্বে জিতছে বিজেপি

জানা গিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়ের আগেই এই টাকা মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ আর এজন্য দাদা মুকেশের কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে ভোলেননি অনিল৷ বলেছেন ‘আমার পরিবার আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে৷ খারাপ সময়ে সাহায্য করে পরিবারের গুরুত্ব আমার জীবনে আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন তাঁরা৷’

নিজের কোম্পানির মুখপাত্রের মাধ্যমে বিবৃতি দেন অনিল আম্বানি৷ সেখানেই জানান এই অর্থ ধার দিয়ে সম্মান রক্ষা করেছেন তাঁর দাদা৷ গতবছর সুপ্রিম কোর্ট রিলায়েন্সকে নির্দেশ দেয় ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার৷ এর বেশি দেরি হলে প্রতি বছর ১২ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে৷ এরিকসন রিলায়েন্সকে ৫৫০ কোটি টাকা সুদ সহ ফিরিয়ে দিতে বলে৷

আরও পড়ুন : নরেন্দ্র মোদীর ‘চৌকিদার’-এর জবাবে হার্দিক লিখলেন ‘বে-রোজগার’

২০১৪ সালে ইরিকসন ইন্ডিয়া আরকমের সঙ্গে সাতবছরের জন্য একটি চুক্তিতে সই করে৷ গত বছর সংস্থাটি অনিল আম্বানিকে সুপ্রিম কোর্টে টেনে নিয়ে যায়৷ রিলায়েন্সের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সংস্থাটি ইরিকসনের বকেয়া ৫৭৬.৭৭ কোটি টাকা ফিরিয়ে দিচ্ছে না৷
শীর্ষ আদালতকে অনিল আম্বানি জানান, মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স জিওর সঙ্গে সম্পত্তি বিক্রি নিয়ে সমস্যার জেরে তাঁর সংস্থা দেউলিয়া প্রক্রিয়ায় ঢুকে যায়৷ ফলে কোম্পানির ফান্ড আর তাঁর হাতে নেই৷ সেই কারণে ইরিকসনকে টাকা ফিরিয়ে দিতে দেরি হচ্ছে৷