ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত ছবি

নয়াদিল্লি: কয়েকদিন আগে ছোট ভাই অনিল অম্বানিকে হাজতবাস থেকে বাঁচাতে পাশে এসে দাঁডিয়েছিলেন দাদা মুকেশ আম্বানি। গত মার্চে মুকেশের সৌজন্যে এরিকসন মামলায় জেলযাত্রা থেকে বাঁচলেও অনিল আম্বানির বিপদ এখনও কাটেনি। তাঁর বাণিজ্যিক সাম্রাজ্যেকে বাঁচাতে এখন রিলায়েন্স ক্যাপিটাল-এর সম্পত্তি বিক্রি করতে মরিয়া তিনি ৷ ও ভাবে ২০০ কোটি মার্কিন ডলার সংগ্রহ পরিকল্পনা ধীরুভাই অম্বানির ছোটছেলের৷

টেলিকম, বিদ্যুৎ, পরিকাঠামো সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিলের সংস্থাগুলিতে এখন আকাশছোঁয়া আর্থিক ঋণভার৷ এত দিন সুরক্ষিত থাকলেও রিলায়েন্স ক্যাপিটাল (আরক্যাপ) যা ভারতের পঞ্চম বৃহত্তম মিউচ্যুয়াল ফান্ড সেটির হাতে মার্চের শেষে নগদ সঞ্চয় কমতে কমতে এখন মাত্র ১১ কোটি টাকা।শেয়ারবাজারে এই শিল্পগোষ্ঠীর সাতটি নথিভুক্ত সংস্থার বর্তমান ক্ষয়িষ্ণু অবস্থা এবার অনিলের সাধ্যের বাইরে চলে গিয়েছে৷

প্রসঙ্গত, যেখানে ২০০৮ সালেও অনিল ধীরুভাই আম্বানি গোষ্ঠীর সংস্থাগুলির শেয়ারবাজারে সম্মিলিত মূল্য ছিল ১০,০০০ কোটি মার্কিন ডলার সেখানে ২০১৯-এর মে মাসে কমত কমতে হয়েছে ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার ৷ ১১ বছর পরে এই শিল্পগোষ্ঠীর এমন বেহাল দশা হবে তা অতি বড় শত্রুও ভাবতে পারেনি । এহেন পরিস্থিতিতে অনিল আম্বানির জন্য সম্পত্তি বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করাটা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে। যার ফলে, তাঁর গোষ্ঠীর অধিকাংশ সংস্থার রেটিং কমে গিয়েছে। সব মিলিয়ে সম্পত্তি বিক্রি করার ক্ষেত্রে গোষ্ঠীর কাছে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অনিল ধীরুভাই আম্বানি গোষ্ঠীর ঘাড়ে থাকা মোট ঋণের ৬০ শতাংশই রয়েছে – আরকম, আরপাওয়ার, আরইনফ্রা ও রিলায়েন্স নাভাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং এই চার সংস্থার উপর। কিন্তু গত সেপ্টেম্বরে উক্ত চার সংস্থা বাজার মূল্য ছিল ৫,৬১১ কোটি টাকা, যা তাদের মোট ঋণের মাত্র ৭ শতাংশ।