নিউইয়র্ক: সাতটি মুসলিম প্রধান দেশের নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞাকে এবার কড়া সমালোচনা করলেন হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাতটি মুসলিম প্রধান দেশের নাগরিক ও শরণার্থীদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করলে সারা বিশ্বের মানুষ এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হন।

জোলি বলেন, অন্য দেশ বাঁ অন্য ধর্মের মানুষ এবং শরণার্থীদের নিয়ে বিভেদ তৈরি করলে আমরা যে অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে সাধারণত লড়ি সেটাই হবে। তিনি নিউ ইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয়তে লেখেন যে, শরণার্থী ও মুসলিম দেশের নাগরিকদের উপর যেভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, সেই ধরন কখনই আমেরিকার মত নয়।

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি এরপর লেখেন, “যতবার আমরা আমাদের মূল্যবোধ নষ্ট করি, ততই সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়াটাকেই আরও খারাপ করি ফেলি। শরণার্থীদের প্রবেশ আটকে দেওয়া আমাদের সমস্যা সমাধানের ধরন নয়, এবং এটি আমাদের সুরক্ষিতও করবে না”।

২০১২ সাল থেকে জোলি রাষ্ট্রসংঘের কমিশনার অফ রিফিউজির বিশেষ দূতের পদে আছেন জোলি। তিনি বলেছেন যে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রিফিউজিরা সন্ত্রাসবাদের শিকার হয় বাঁ ভালো চিকিৎসার খোঁজে স্থান বদল করতে হয়। তিনি পরোক্ষভাবে প্রেসিডেন্টের উদ্দেশে বলেন যে, প্রত্যেক সরকারকে দেশের নাগরিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দায়িত্বের মধ্যে সমতা বজায় রাখা উচিত। কিন্তু আমাদের উত্তরগুলি যেন তথ্যনির্ভর হয় সেটা মাথায় রাখতে হবে”।

ত্রাম্পের বিরুদ্ধে হলিউডে একের পর এক সেলেবরা সরব হয়েছিলেন বিভিন্ন কারণে। এর মধ্যে আছেন স্কারলেট জনসন, মেরিল স্ট্রিপ, কেটি পেরি, অ্যাশলে জুড। এবার নিজের সম্পাদকীয়ের মাধ্যমে প্রতিবাদ করলেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, যিনি সরাসরি ভাবে রাষ্ট্রসংঘে বিশ্বের শরণার্থীদের স্বার্থে কাজ করেন।
Pic: Jolie

#Actress Angelina Jolie says on Friday that discriminating against refugees for their religion or country of origin “invites the very very instability we seek to protect ourselves against.”