লন্ডন: ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি পেয়ে বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে খেলার সুযোগ পেয়েছেন কয়েকসপ্তাহ আগে। কিন্তু টুর্নামেন্ট শুরুর সপ্তাহতিনেক আগে লড লেভার এরিনায় কোর্টে নামা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হল অ্যান্ডি মারের। প্রাক্তন বিশ্বের পয়লা নম্বর আক্রান্ত হয়েছেন নোভেল করোনা ভাইরাসে। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ টেনিস প্লেয়ারের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন কর্তৃপক্ষ নিজেই।

উপসর্গহীন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মারে। লন্ডনেই আপাতত হোম আইসোলেশনে রাখা হয়েছে তাঁকে। অস্ট্রেলিয়ান ওপেন উদ্যোক্তাদের তরফ থেকে প্রাক্তন পয়লা নম্বরের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। অস্ট্রেলিয়ান ওপেন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমরা আশা করছি উনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং পরের দিকে ব্রিটিশ টেনিস প্লেয়ারকে নিজেদের চার্টার্ড ফ্লাইটে করে অস্ট্রেলিয়ায় উড়িয়ে নিয়ে আসার কথাও জানিয়েছে তারা। মারে শারীরীকভাবে সুস্থ রয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। তবে ঠিক কবে তিনি করোনামুক্ত হয়ে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছতে পারবেন, তা নিয়ে সংশয়ে অস্ট্রেলিয়া ওপেন কর্তৃপক্ষ।

বছর তেত্রিশের তারকা টেনিস প্লেয়ারের করোনা আক্রান্তের খবর জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন এক টুইটে এদিন লিখেছে, ‘অ্যান্ডি মারে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আপাতত তাঁকে হোম আইসোলেশনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত উনি অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে অংশগ্রহণকারীদের জন্য বরাদ্দ অফিসিয়াল চার্টার্ড ফ্লাইটে আসতে পারছেন না কোয়ারেন্টাইনে থাকার দরুন। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের দর্শক অ্যান্ডিকে ভীষণ ভালোবাসে। আমরাও জানি সে এখানে প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণের জন্য কতোটা মুখিয়ে থাকে এবং এই সুযোগটার জন্য কতোটা পরিশ্রম সে করেছে।’

উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের আগে চোট-আঘাত সমস্যা এড়াতে গত সপ্তাহে একটি এটিপি ইভেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেন তিনবারের গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী মারে। চোট-আঘাতের কারণে দীর্ঘদিন কোর্ট থেকে দূরে থাকা ব্রিটিশ তারকা আপাতত বিশ্ব র‍্যাংকিংয়ে ১২৩তম স্থানে। ২০১৯ চোটের কবলে পড়ে মেলবোর্ন থেকেই কেরিয়ারে ইতি টানতে চেয়েছিলেন মারে। ২০২০ করোনা আক্রান্ত বছরে হাতে গুনে মাত্র ৭টি অফিসিয়াল ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। এখন দেখার করোনামুক্ত হয়ে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামে মারে ঝলক দেখা যায় কীনা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।