নয়াদিল্লি : এটাই সময় আন্দামানের ভৌগোলিক অবস্থানের সুযোগ নিয়ে চিনকে শিক্ষা দেওয়ার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানকে আন্দামান ব্যবহার করার সুযোগ দিক ভারত। এমনই বক্তব্য রাখলেন প্রাক্তন কূটনীতিবিদ চিনয়। চিনের বিরুদ্ধে আমেরিকা, ফ্রান্স, জাপান, অস্ট্রেলিয়া যেভাবে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে, এটাই সুবর্ণ সুযোগ দক্ষিণ চিন সাগর ও ভারত মহাসাগরে চিনের আধিপত্য খর্ব করার, বলে মনে করছেন চিনয়।

এদিন এক রিপোর্টে জাপানে ভারতের প্রাক্তন এই রাষ্ট্রদূত জানান, ভারত মহাসাগরে চিনের বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে গেলে বন্ধু রাষ্ট্রগুলির সাহায্য লাগবে। সেক্ষেত্রে আমেরিকা ও জাপানের কাছে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের প্রবেশাধিকার দেওয়া হলে চিনা সাবমেরিনের ওপর নজরদারি চালানোয় সুবিধা হত ভারতের।

তাঁর তৈরি রিপোর্ট বলছে, চিন খুব দ্রুত ভারত মহাসাগরের ওপর নিজেদের কব্জা পেতে চাইছে। পাকিস্তানের গদর ও দিজিবৌটিতে নতুন ঘাঁটি তৈরি করা থেকে শুরু করে, চিনা সাবমেরিনের আনাগোনা, কোনও সুযোগই ছাড়ছে না চিন।

এদিকে, ভিয়েতানামের বিদেশমন্ত্রক অভিযোগ করেছিল সেদেশের মৎস্যজীবীদের নৌকায় হামলা চালায় চিনা নৌবাহিনীর জাহাজ। দক্ষিণ চিন সাগরে এই ঘটনা ঘটে। পার্সেল আইল্যান্ডের কাছে এই হামলার শিকার হয় ভিয়েতনামের মৎস্যজীবীদের নৌকা। উল্লেখ্য এই দ্বীপকে চিন নিজেদের অংশ বলে দাবি করে। এপ্রিল মাসেও একই অভিযোগ করেছিল ভিয়েতনাম।

বৃহস্পতিবার জাপানও চিনা উস্কানির অভিযোগ আনে। টোকিও জানায়, চিন ৬৬ দিন ধরে সেনকুকু দ্বীপপুঞ্জের সামনে নিজেদের নৌবাহিনী মোতায়েন রাখে। পূর্ব চিন সাগরের ওপর এই দ্বীপ জাপানের এক্তিয়ারভুক্ত। একই অভিযোগ আনে ইন্দোনেশিয়াও। চিন জলসীমা নিয়ে ক্রমাগত উত্যক্ত করছে বলে অভিযোগ সেদেশের।

এই প্রেক্ষিতেই এদিন প্রাক্তন এই কূটনীতিক বলেন বন্ধু রাষ্ট্রগুলি মিলে চিনের বিরুদ্ধে অ্যান্টি সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার চালু করা উচিত। সেক্ষেত্রে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত উপযুক্ত। একে কাজে লাগানো উচিত ভারতের। আমেরিকা, জাপানের সামনে তাই দ্বীপপুঞ্জের বন্দরগুলি খুলে দিক ভারত, যাতে যৌথভাবে চিনের আগ্রাসনের মুখোমুখি হওয়া যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.