ওয়াশিংটন: আমেরিকা আবিষ্কার নিয়ে ইতিহাস রচিত হয়েছে বহু আগে। মানুষ কীভাবে আমেরিকার সন্ধান পেল, কীভাবে সেখানে বসতি স্থাপন করল এ নিয়েও লেখা হয়েছে বিস্তর বই। সম্প্রতি এনিয়ে এক নতুন দিশা দেখাল কুকুরের জীবাশ্ম। দক্ষিণ পূর্ব আলস্কায় কুকুরের একটি জীবাশ্ম আবিষ্কার হয়েছে। ওই জীবাশ্ম থেকেই জানা গিয়েছে তুষার যুগের শেষে কীভাবে মানুষ আমেরিকায় প্রবেশ করল।

এই হাড় ১০ হাজার ১৫০ বছর আগের এক কুকুরের ফিমারের অংশ। রেডিওকার্বনের সাহায্যে এই তথ্য পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আমেরিকায় প্রাপ্ত কুকুরের জীবাশ্মগুলির মধ্যে এটি সম্ভাব্য প্রাচীনতম বা প্রাচীনতম। আমেরিকায় এর আগে যেকটি কুকুরের জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে তার কোনওটিই এত পুরনো নয়। হাড়ের ডিএনএ বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এর আগে একই সমকালের আরও তিনটি কুকুরের জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছিল। মিডওয়েস্টের কাছে ওই জীবাশ্মগুলি মিলেছিল। এই কুকুরগুলির প্রজাতি সাইবেরিয়ান ডগের প্রজাতিরই একটি অংশ। এদের ১৬ হাজার ৭০০ বছর আগে পাওয়া যেত। এই প্রজাতিগত মিল জানান দেয় যে এই কুকুরগুলি বর্তমান কুকুরের পূর্বজ। মানুষের সঙ্গেই তারা এশিয়া ছেড়ে এই দেশে এসেছিল।

কুকুরের গতিপ্রকৃতি ও এর প্রভুভক্তি মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হল যদি কুকুরে গতিপ্রকৃতির দিকে নজর রাখা যায় তবে দেখা যাবে এরা মানুষের সম্পর্কে অনেক কথা বলতে পারে। নিউ ইয়র্কের বাফালো বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞানী শার্লট লিন্ডকভিস্ট একথা জানিয়েছেন। নতুন এই গবেষণা আলাস্কার স্থলভাগ দিয়ে উত্তর আমেরিকায় পা রাখতে সমর্থ হয়েছিল। এও জানা গিয়েছে প্রথম উপনিবেশকারীরা বরফ মুক্ত করিডোর দিয়ে এসেছিল। কিন্তু ১৬ হাজার ৭০০ বছর আগে ওই করিডোর বরফ দিয়ে ঢাকা ছিল। যদিও কুকুরের এই জীবাশ্ম একটি বিকল্প পথ খুলে দিয়েছে। সেটি হল এই উপনিবেশকারীরা প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূল বরাবর দক্ষিণে নৌকা করে এসেছিল।

এই তথ্য একটি বড় আবিষ্কার। ইংল্যান্ডের ডুরহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতাত্ত্বিক অঙ্গেলা পেরি একথা জানিয়েছেন। তাঁর গবেষণা অনুসারে আমেরিকায় প্রথম গৃহপালিত কুকুর ছিল ১৫ হাজার বছর আগে। কিন্তু নতুন এই গবেষণা জানিয়েছে ১৬ হাজার ৭০০ বছর আগেই আমেরিকায় পোষ্য কুকুর এসেছিল। তিনি বলেছেন, “আমরা যা ভেবেছিলাম তার প্রায় ২ হাজার বছর আগে আমেরিকায় মানুষ ও কুকুর এসেছিল।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।