এবার পুজোয় প্যান্ডেলের মধ্যমণি আপনি। শুধু সঙ্গে থাকুন আমাদের। সেজে উঠুন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পল, গৌরঙ্গ শা, লোপামু্দ্রা, জ্যোতি সচদেব, দেবিনা জুনেজার

ফ্যাশন-ফান্ডায়। শাড়ি থেকে সালোয়ার, গাউন থেকে  জাম্পস্যুট। কে মাতাবে এবারের পুজোর বাজার? কোন কালারই বা ইন? আর কোনটাই বা আউট অফ ফ্যাশন, জেনে নিন

সরাসরি এই সেলেব ডিজাইনারদের মুখেই। আজ প্রথম কিস্তি। শুরুতেই থাকছে টলিপাড়ার ডিজাইনার লোপামুদ্রার ‘আনারকলি’। তাঁর সঙ্গে কথা বলে লিখলেন মানসী সাহা

PALAZZO-2
নিজের তৈরি আনারকলি হাতে লোপামুদ্রা

‘পুরাতন ফিরে আসে বারে বারে’। বেশ কয়েক বছর ধরে পুজোর বাজার মাতাচ্ছে আনারকলি। এবারও কি ট্রেন্ডে আনারকলি, নাকি জায়গা দখল করতে অন্যকিছু আসছে?
 লোপামুদ্রা বললেন, না না, 'এবারও পুজোয় ফিউশন ওয়্যারের ফ্যাশন অন দ্য টপ অফ দ্য লিস্টে থাকছে আনারকলি। তবে বলতে পারো এবছর কিছুটা ‘হট’ লুকে বাজার মাতাবে

আনারকলি। যেমন হাঁটুর নিচ পর্যন্ত লম্বা। দু'পাশ কুর্তির মত কাটা। গলার ডিজাওনেও থাকছে অভিনবত্ব। রাউন্ড নেক, বোটনেক ও চাইনিস কলার এবার ট্রেন্ডি। অন্যদিকে চুরি প্যান্টের বদলে এবার আনারকলি আসছে দু'রকমের পালাজোর সঙ্গে। একটা হাঁটুর একটু নিচ পর্যন্ত লম্বা৷ আর একটা গোড়ালি পর্যন্ত লম্বা ঝুলের৷ তবে লোপামুদ্রার কথায় আনারকলি এবছর ইন অ্যান্ড আউট ফ্যানশন দু’ই। মানে? লোপামুদ্রার বললেন, নেটের কাপড় দিয়ে ঘের দেওয়া আনারকলি এবছর আউট ফ্যাশন। সেইসঙ্গে খুব ওভারডান ড্রেস সেরকম ভারী ফ্যাব্রিকস, বড় বড় প্রিন্ট বা ভারী এমব্রয়ডারি না পরলেই ভালো হয়। তবে অষ্টমী বা নবমীর সন্ধ্যায় কেউ যদি আনারকলি পড়তে চান তাহলে লোপামুদ্রা সাজেস্ট করছেন লাল আর সাদার কম্বিনেশন পালাজো আনারকলি। মানে লাল রঙের পালাজো প্যান্ট আর সাদা আনারকলি। তবে এবছর পিঙ্ক-ব্ল্যাক, পীচ-সি গ্রিন খুব বাজার মাতাবে।

PALAZZO-3
লোপামুদ্রা আনারকলি কালেকশন: যাঁরা লোপামুদ্রার আনারকলিতে সেজে এবছর পুজোয়  অনন্যা হয়ে উঠতে চান তাঁদের যেতে হবে শরৎ বসু রোডের স্টুডিও আইতে। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই এই ঠিকানায় মিলবে লোপামুদ্রার ট্রেন্ডি আনারকলি।

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.