ফাইল ছবি

শ্রীনগর: ফের উত্তপ্ত অনন্তনাগ৷ সোমবার সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াইয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয় জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগের৷ আর্মি মেজর এই এনকাউন্টার পর্বে শহিদ হন এব এক জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে৷ পাশাপাশি, ১৯ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের ২ সেনা এবং এক সেনা আধিকারিক আহত হন এবং জম্মু-কাশ্মীরের ডিজিপি দিলবাগ সিং জানান, এখনও এনকাউন্টার চলছে৷ এই পর্ব শেষ হলে এ সম্পর্কে আরও তথ্য দেওয়া সম্ভবপর হবে বলে তিনি জানান৷

এর আগে গত ১২ জুন অনন্তনাগে সিআরপিএফ-জঙ্গির গুলির লড়াইয়ে ৫ জওয়ান শহিদ হন৷ শহিদ জওয়ানরা হলেন, এএসআই রমেশ কুমার(ঝঝ্ঝর, হরিয়ানা). এএসআই নিরোদ শর্মা (নলবাড়ি, অসম), সিটি সত্যেন্দ্র কুমার (মুজফ্ফরনগর, উত্তরপ্রদেশ), সিটি মহেশ কুমার কুশওয়াহা(গাজিপুর, উত্তপ্রদেশ) এবং সিটি সন্দীপ যাদব (দেওয়াস, মধ্যপ্রদেশ)৷

ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত ছবি৷

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ১১জুন দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগে সিআরপিএফ জওয়ানদের ওপর সন্ত্রাসবাদী হামলা চলে৷ কেপি রোডের বাস স্ট্যাণ্ডের কাছে এই হামলা হয়৷ মঙ্গলবার রাতে এই হামলা হয়৷ সিআরপিএফের টহলদারি টিমের ওপর এই হামলা চলে৷ সদ্দর পুলিশ স্টেশনের এসএইচওর বুকে গুলি লাগে৷ আশংকাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভরতি তিনি৷ দুই সশস্ত্র জঙ্গি এই হামলা চালায়৷ একজনকে গুলি করে মারা হয়৷ মঙ্গলবার থেকে বুধবার পর্যন্ত চলা এই সন্ত্রাসবাদী হামলায় মোট ৫ জওয়ান শহিদ হন৷

একদিকে যখন সেনা-জঙ্গির মধ্যে গুলির লড়াই চলছে, অন্যদিকে পাক সেনা সীমান্তে হেভি শেলিং করে সোমবার৷ রবিবার ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে ম্যাচ চলাকালীনই অশান্ত হয়ে ওঠে দুদেশের সীমান্ত। খেলা চলাকালীন হঠাতই ভারতীয় সেনা ছাউনি টার্গেট করে হেভি শেলিং শুরু করে পাকিস্তান। জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চ সেক্টরে লাগাতার শেলিং শুরু করে পাকিস্তান সেনা। যদিও ভারতের তরফেও পালটা জবাব দেওয়া হয়। একেবারে খোল হাতে পাকিস্তানকে জবাব দেয় ইন্ডিয়ান ফোর্স। অন্ধকারে নতুন করে গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত।

গত ২৪ ঘন্টায় লাগাতার সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করল পাকিস্তান। ভারতীয় সেনা ছাউনি লক্ষ্য করে চলছে অনবরত মর্টার শেলিং। পালটা জবাব ভারতীয় সেনার তরফেও। দুপক্ষের গোলাগুলির মধ্যে পড়ে বিএসএফে এক জওয়ান গুরুতর জখম হয়েছে বলে জানা যায়। তাঁকে সেনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শুরু হয় চিকিৎসা। সোমবার সকাল থেকে নতুন করে ফের শেলিং শুরু করে পাকসেনা। পুঞ্চের কৃষ্ণাঘাঁটিতে এই শেলিং শুরু হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয় ভারত এবং পাকিস্তান সীমান্তে।