নয়াদিল্লি: সদ্যসমাপ্ত অস্ট্রেলিয়া সফরে দুরন্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার। ছয় ভারতীয় ক্রিকেটারকে মাহিন্দ্রা থার এসইউভি গাড়ি পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান আনন্দ মাহিন্দ্রা। এঁদের মধ্যে পাঁচ ক্রিকেটারেরই অভিষেক হয়েছে সদ্যসমাপ্ত সিরিজে। মহম্মদ সিরাজ, শুভমন গিল, ওয়াশিংটন সুন্দর, টি নটরাজন এবং নভদীপ সাইনির মত অভিষেককারীদের পাশাপাশি শার্দুল ঠাকুরকে ব্র্যান্ড নিউ এসইউভি দিয়ে সম্মান জানাবে মাহিন্দ্রা গ্রুপ।

শনিবার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে খবরটি জানান মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান তথা শিল্পপ্পতি আনন্দ মাহিন্দ্রা। মাহিন্দ্রা গ্রুপের পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করতে চলা ছয় ক্রিকেটারের প্রত্যেকের পারফরম্যান্সই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে দর্পচূর্ণ করতে ব্যাপকভাবে সহায়তা করেছে ভারতীয় দলকে। গাব্বায় দ্বিতীয় ইনিংসে একাই পাঁচ উইকেট নেওয়া মহম্মদ সিরাজ অস্ট্রেলিয়া সফরে ভারতীয় ক্রিকেটের নতুন তারা হিসেবে নিজেকে প্রতিপন্ন করেছেন। তিন ম্যাচে সদ্যসমাপ্ত সিরিজে ভারতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি তিনিই।

সিডনিতে নিউ-ইয়ার টেস্টে অভিষেক হয়েছিল নভদীপ সাইনির। আর গাব্বায় অন্তিম টেস্টে মিনি হাসপাতাল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট আস্থা রেখেছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর, টি নটরাজনদের উপর। আনন্দ মাহিন্দ্রার পুরস্কারপ্রাপকদের বিশেষ তালিকায় একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন শুভমন গিল। তিন টেস্টে ৫১.৮০ গড়ে ২৫৯ রান এসেছে পঞ্জাব ব্যাটসম্যানের ব্যাটে। যার মধ্যে শতরান ২টি, সর্বোচ্চ ৯১।

অভিষেককারী পাঁচ ক্রিকেটার বাদে তালিকায় রয়েছেন শার্দুলও। গাব্বায় প্রথম ইনিংসে সুন্দরের সঙ্গে জুটি বেঁধে সপ্তম উইকেটে ১২৩ রান যোগ করেছিলেন শার্দুল। তার নিজের ব্যাটে এসেছিল ৬৭ রান। আনন্দ মাহিন্দ্রা শনিবার একাধিক টুইটে ছয় ভারতীয় ক্রিকেটারকে পুরস্কৃত করার কথা ঘোষণা করেন। একটি টুইটে তিনি লেখেন, ‘ছয় তরুণ ভারতীয় সদ্যসমাপ্ত ঐতিহাসিক সিরিজে অভিষেক করেছিল। অভিষেকেই পরবর্তী প্রজন্মের সামনে অসম্ভবকে সম্ভব করা এবং স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার নয়া দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তাঁরা।’

আরেকটি টুইটে আনন্দ মাহিন্দ্রা লেখেন, ‘এই পুরস্কার প্রদানের অর্থ তরুণদের উৎসাহিত করা। নিজেদের প্রতি বিশ্বাসী করে তোলা। মহম্মদ, শার্দুল, শুভমন, নটরাজন, নভদীপ এবং ওয়াশিংটন তোমরা দারুণ। মাহিন্দ্রা অটোকে আমি বলছি তাদেরকে থার দিয়ে পুরস্কৃত করতে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।