মুম্বই: সম্প্রতি শিল্পপতি আনন্দ মহিন্দ্রের পোস্ট করা একটি কবিতা ভাইরাল হল। তিনি ওই পোস্টে ওই কবিতাটিকে ‘করোনাভাইরাস অ্যানথেম’ আখ্যা দিয়ে পোস্ট করেছেন। তাতে তিনি ব্যক্ত করেছেন, এই কথাগুলোর সঙ্গে অনেকেই নিজেদের মেলাতে পারবেন। যদিও তিনি এই কবিতাটি ভিন্ন প্রেক্ষিতে শুনেছিলেন। কিন্তু এই কবিতাটি লকডাউন পরিস্থিতিতে কেমন যেন প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।

আনন্দ মহিন্দ্র লিখেছেন, তিনি প্রথমে একটি ভিন্ন প্রসঙ্গে শুনেছিলেন । তবে এখন এটি তার কাছে একেবারে করোনা মহামারী লকডাউন অ্যানথেম হয়ে উঠেছে। ওই কবিতাটির লাইন গুলি –

আজব ইয়ে জিন্দেগি কী,
কয়েদ হ্যায় হর ইনসান,
রিহাই মাংতা হ্যায় আউর
রিহা হোনে সে ডরতা হ্যায়।

বাস্তবে করোনার জেরে গোটা দেশের লোকের বলতে গেলে অদ্ভুত এক জীবন।গৃহবন্দী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। বাইরে বের হওয়ার জন্য মনটা তাদের ছটফট করছে। কিন্তু আবার বাইরে বের হতে ভয় পাচ্ছে। একে বারে যেন নেটিজেনদের অদ্ভুত জীবনের কথা।,এই লকডাউনের জেরে সকলেই প্রায় গৃহবন্দী। এদের মন ছটফট করছে বাইরে বের হওয়ার জন্য। কিন্তু বের হতে ভয় পাচ্ছে।

এর ফলে দেখা গিয়েছে ওই কবিতাটি দেখে বহু নেটিজেন লাইক দিয়েছেন রি টুইট করেছেন। অনেকে আবার নিজেদের ভাবনা এবং অভিজ্ঞতাটা ব্যক্ত করেছেন । কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন এটি অসাধারণ বলে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I