নয়াদিল্লি: মহিন্দ্র গ্রুপ মঙ্গলবার জানিয়েছে, তাদের গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান আনন্দ মহীন্দ্র বিশ্বের সেই ১৪ জন সিইও-র মধ্যে রয়েছেন যারা করোনা সংকটের পর কেমন করে উন্নত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়া যায় তার দিশা দেখাবেন।বাণিজ্যের জগতের নেতৃত্বে থাকা এইসব ব্যক্তিত্বদের সংস্থার মোট বার্ষিক আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি এবং এদের মোট কর্মী সংখ্যা ৫ লক্ষের বেশি।

এই ১৪ জনের মধ্যে রয়েছেন, অজয় বাঙ্গা (মাস্টার কার্ড), অ্যালান মুরেয়(ফরচুন মিডিয়া), ড্যান হেনড্রিক্স(ইন্টারফেস) ডিলান টেলার (ভয়েজার স্পেস হোল্ডিংস),ইমানুয়েল ফেভার(ড্যান ওয়ান) এবং ফেইক সিজবেসমা (ডিএস এম)।

এছাড়া আর যারা রয়েছেন তারা হলেন, ফ্রান্স ভ্যান হৌতেন(ফিলিপস), জেমস বাগানি (ইকুইটি ব্যাংক), জেন পল অগন (এল অরেল), জন ডেনটোন(আইসিসি), মাইক ডয়লে (অমনি কম কেচুম), রবাটো মারকুইস (ন্যাচারা এন্ড কোম্পানি) স্টিফেন ডি লকার (বিয়ারসডরফ)।

মহিন্দ্র গোষ্ঠী তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছেন, করোনা পরবর্তী সময়ে অর্থনীতি কেমন হবে তার রোড ম্যাপ তৈরি করতে হবে যার দ্বারা সমাজ, এই বিশ্ব এবং তার পরবর্তী প্রজন্মের শেয়ারহোল্ডাররা সুবিধা পায়।

এক খোলা চিঠিতে এই ১৪ সিইও তাঁদের দেশের সরকারগুলিকে জানিয়েছেন, ব্যবসাই হল অর্থনীতির চতুর্থ ক্ষেত্র তাকে স্বীকৃতি দিয়ে ও সহায়তা করে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্কে ইউএন জেনারেল এ্যাসেম্বলি সপ্তাহে তা তুলে ধরতে হবে।

এই বিষয়ে মহীন্দ্র মন্তব্য করেছেন, এখন গোটা বিশ্বের আগের তুলনায় প্রয়োজন, নতুন ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা। সেই ভবিষ্যৎ যেখানে মানুষ অনুভব করতে পারে তারা নিরাপদ এবং সুরক্ষিত। নতুন পরিবেশের সংজ্ঞা ঠিক করতে এই কাজের যারা নেতৃত্বে আছেন তাদেরই উদ্যোগ নিতে হবে।

এই ১৪ জন সিইও অন্যান্য শিল্প গোষ্ঠী এবং সরকারকে তাদের সঙ্গে ‌ যোগ দেওয়ার জন্য আর্জি জানিয়েছেন, একটা প্ররোচক বাস্তব মুখী রোড ম্যাপ তৈরি করার জন্য । যার মাধ্যমে কর্পোরেটের কাঠামো এবং সরকারের নীতি নতুন নকশা করা যাবে যা নতুন ব্যবসায়িক পরিবেশে বাস্তুতন্ত্রগত সহায়তা নিয়ে সংগঠনগুলি কাজ করতে পারবে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা