সৌজন্যে Daily Star Bangladesh

প্রসেনজিৎ চৌধুরী:  শরদিন্দুবাবুর সেই আজব রহস্যঘেরা ‘গোলাপ কলোনী’র অস্তিত্ব বইয়ের পাতায়। “ঠিকানা মোহনপুর, ২৪ পরগনা।” সেখানে ভালোবাসার খাতিরে জমাট বেঁধেছিল রহস্য। বাকি সবটাই কাহিনি ঘেরা সজল নির্বিঘ্ন জীবনে লুকিয়ে থাকা সুননয়নার কথা। চক্রান্তের জাল। কাহিনিতেই শেষ গোলাপ কলোনি ইতিবৃত্ত-চিড়িয়াখানা।

কিন্তু বাস্তবের গোলাপ গ্রাম! ১৪ ফেব্রুয়ারির বাজারে যখন হন্যে হয়ে গোলাপ খুঁজছেন, তখন যদি জানেন একটা আস্ত গ্রাম আছে গোলাপেরই! সেখানে হাত বাড়ালেই গোলাপ মিলবে। যাবেন?

সৌজন্যে ডেইলি বাংলাদেশ

এই তো মুশকিল, এবার আপনাকে ফরেন ট্যুর করতে হবে। বিদেশে যাওয়ার ব্যাপার তাই বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন থেকে ভিসা করিয়ে নিন। তারপর সোজা পদ্মাপারের দেশ। সেখানকার মহানগর রাজধানী ঢাকা। আর সেখান থেকে খুব বেশি দূর নয় গোলাপ গ্রাম।

বাংলাদেশের এই গ্রামটির বৈশিষ্ট শুধু গোলাপ চাষের জন্য। ক্ষেতে, বাগানে গোলাপ সৌরভ। নামটাই হয়ে গিয়েছে গোলাপ গ্রাম। ঢাকার অদূরে তুরাগ নদী। এই নদীর তীরে বিরুলিয়া সাদুল্যাপুর। এই গ্রামের আরেকটি নাম  ‘ভালোবাসার গ্রাম’। ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনস ডে  আসা মাত্র গ্রামটি আরও গোলাপ সাজে চমকে দেয়। গোলাপ চাষের বাহার দেখে চমকে যেতে হবে।

এই গোলাপ গ্রাম যাওয়া এমন কিছু নয়। ঢাকা থেকে  বিরুলিয়া গোলাপ গ্রাম যাওয়ার রাস্তা বেশ জনপ্রিয়!  বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে একটু জিজ্ঞাসা করলেই যে কেউ মুচকি হেসে বলে দেবে।

ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলি হলো যাত্রাবাড়ি, গুলিস্তান, ফার্মগেট, মিরপুর ১০ নম্বর মোড়। সেখান থেকে  রিকশায়  যাওয়া যায় দিয়াবাড়ি বটতলা ঘাট। এখান থেকে নৌকায়  সাদুল্লাপুর। ব্যাস আপনি পৌঁছে গেলেন গোলাপ গ্রামে। রাস্তার দু পাশে, নদীর দূরে দিকে মাইলের পর মাইল শুধু গোলাপ। দেখুন ঘুরুন, গোলাপ সুবাসে মাতোয়ারা হয়ে যান।

বিরাট এই কর্মকাণ্ডে জড়িত ফুল চাষিরা। স্থানীয় ফুল চাষিরা নিজেদের প্রয়োজনে গ্রামেই গড়ে তুলেছেন হাট। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অসংখ্য ব্যবসায়ী এসে ভিড় জমান সেখানে।  বেচাকেনা হয় গভীর রাত পর্যন্ত। ভোরে গোলাপ বোঝাই গাড়ি পাড়ি দেয় বিভিন্ন দিকে।

আর সকাল হতেই টাটকা গোলাপ থরে থরে সাজানো হয়ে যায় বাংলাদেশের বাজারের মোড়ে মোড়ে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।