মুম্বই: মুম্বইয়ের টিনসেল টাউনে ফিল্মফেয়ার নিয়ে এই মুহূর্তে বিতর্ক তুঙ্গে। অনেকেরই দাবি, যোগ্য শিল্পীরা পুরস্কার পায়নি এবং তুমুল পক্ষপাতিত্ব হয়েছে। এরই মাঝে সলমন খানের একটি পুরনো ভিডিও ভাইরাল নেট দুনিয়ায়।

ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, সলমন বলছেন তিনি ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড নিতে যাবেন না। ভিডিওটি দেখেই বোঝা যাচ্ছে সেটি বেশ কয়েক বছর আগের। সলমন বলছেন, আমার মনে হয় যাদের আত্মবিশ্বাস কম তারাই অ্যাওয়ার্ড চান। আমি গিয়ে ফিল্মফেয়ার বা অন্যান্য বোকাবোকা অ্যাওয়ার্ড নেব না। জাতীয় পুরস্কার পেলে সেটা সম্মানের বিষয়। সেটা আমি নিজে গিয়ে গ্রহণ করব।

সলমন ফিল্মফেয়ারকে কটাক্ষ করে বলছেন, এমন একটা ম্যাগাজিন যেটা আমাদের উপরেই নির্ভর করে চলছে। তারকাদের সাক্ষাৎকারেই যে ম্যাগাজিন চলছে, তারাই আবার অ্যাওয়ার্ড দিতে আসছে। এ তো কদিন পরে আমার গাড়ির চালক বা স্পটবয় বা মেকআপ ম্যান এসে বলবে,  আজ আমি আপনাকে অ্যাওয়ার্ড দেব। খুবই বোকাবোকা বিষয়।

এবছর জোয়া আখতারের গল্লি বয় বিভিন্ন বিভাগে মোট ১৩টি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার ২ ছবির জন্য সেরা নবাগতার পুরস্কার পেয়েছেন অনন্যা পাণ্ডে। এই বিষয়গুলির জন্যই সমালোচনার মুখে পড়েছে ফিল্মফেয়ার। এরপরেই হ্যাশট্যাগ বয়কট ফিল্মফেয়ার ট্রেন্ড শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এর মাঝেই সলমন খানের ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে। তবে এই ভিডিওতে নেটিজেনরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।