রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জের কোভিড হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হলো ইসলামপুর পুরসভার এক আধিকারিকের। শুক্রবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত ওই আধিকারিকের নাম গৌতম বর্ধন। বাড়ি কলকাতার পল্লীশ্রী এলাকায়।

গত ১৮ তারিখে লালার নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ পাওয়ার পরে তাঁকে রায়গঞ্জ কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু শুক্রবার সকালেই তাঁর মৃত্যু হয়৷ স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিয়ম অনুযায়ী ওই আধিকারিক এর মৃতদেহ সৎকারের জন্য রায়গঞ্জ থানার আইসি, রায়গঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান, রায়গঞ্জের বিডিও কে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে মোট রায়গঞ্জের কোভিড হাসপাতালের দুইজনের মৃত্যু হল। বৃহস্পতিবার রায়গঞ্জ শহরের মিলনপাড়া এলাকার বাসিন্দা মায়ারানি লাহার (৭০) মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে, রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজের ভাইরাস রিসার্চ অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে ৩৬ জনের করোনা পজিটিভের রিপোর্ট মিলেছে। এদের মধ্যে ১০ জন রায়গঞ্জ থানার সিভিক ভলেন্টিয়ার রয়েছে। দু’জন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন এই পজিটিভের তালিকায়। শুক্রবার বিকাল চারটা নাগাদ রায়গঞ্জের কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এদিন কোভিড হাসপাতালে কর্মরত ১৬ জন নার্স, একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, দু’ জন ফার্মাসিস্ট-সহ কুড়ি জন স্বাস্থ্য কর্মী রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজের ফিভার ক্লিনিকে লালা রসের নমুনা দিয়েছেন।

এছাড়া রায়গঞ্জ থানার ১২ জন সিভিক ভলেন্টিয়ার লালারসের নমুনা দিয়েছে ফিভার ক্লিনিকে। এদিকে করোনা পজিটিভ উপসর্গ হীনদের রায়গঞ্জের কর্ণজোড়ায় অবস্থিত ক্রেতা সুরক্ষার নয়া ভবনে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।