ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি : নিজেদেরকে ঘর বন্দি না করতে পারলে সামনে মহাবিপদ। করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। দেশজুড়ে বাড়ানো হচ্ছে আইসোলেশন বেড। কিন্তু সেটা যৎসামান্য। সরকারের ইচ্ছা থাকলেও উপায় নেই। দেখুন সরকারি পরিসংখ্যান কি বলছে। যা জানলে আপনি অবাক হবেন।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চের পরিসংখ্যান বলছে, ভারতবর্ষে বর্তমানে যা জনসংখ্যা, তার অনুপাতে ৮৪ হাজার পিছু একটা আইসোলেশন বেড। কোয়ারেন্টাইনে পাঠাতে হলে ৩৬ হাজারের জন্য বরাদ্দ একটি বেড।

আর ডাক্তার। ১১ হাজারের জন্য একজন ডাক্তার। ভারতবাসী এখনও সাবধান বা সতর্ক না হলে ভবিষ্যতে আক্রান্তদের যে চিকিৎসা না পেয়েই মরতে হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

আর মৃতের সৎকার। সেখানেও অনেক সমস্যা। করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হলে, সেই মৃতদেহ সাধারণ মৃতদেহের মত সৎকার করা যাবে না। কারণ সৎকারের সময়ে জীবাণু না ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই বিশেষভাবে সৎকার করতে হয়।

করোনা আক্রান্ত হয়ে সোমবার কলকাতায় যে ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সেই মৃত ব্যাক্তির দেহ থেকে যেন সংক্রমণ না ছড়ায় তা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সোমবার দুপুরে এই খবর পেয়েই স্বাস্থ্য দফতরের কর্তা ও কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মাকে সতর্ক করেন তিনি।

হাসপাতাল সূত্রের খবর, তাঁর দেহে করোনার জীবাণু থাকায় বিশেষ ব্যাগে করে মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, মৃতের ফুসফুস থেকে এখনও ছড়াতে পারে সংক্রমণ ৷ তাই এই মৃতদেহের অটাপ্সি করা যাবে না৷ এই অবস্থায় তাঁকে পরানো হবে বিশেষ পোশাক ৷

তাঁকে যাঁরা ক্যারি করবেন তাঁরাও পরবেন বিশেষ পোশাক ৷ অন্যদিকে, সোমবার দুপুরে এই খবর পেয়েই স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক এবং পুলিশ থেকে বেসকারি ওই হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। করোনাভাইরাসে মৃতের সৎকারের প্রক্রিয়া জানতে চান তাঁরা। এই ব্যাপারে WHO-র নির্ধারিত বিধি মেনে চলা হবে বলে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।