ইন্টারনেটে প্রতারণার ফাঁদে পরা এটি এমন নতুন কোনও বিষয় নয়। কিছুদিন আগে আমরা দেখতে পেয়েছিলাম ইয়াহুর অনেক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছিল।এবার সে দলে নাম লেখালও জি-মেলও। এখন থেকে জি-মেলে লগ-ইন করার সময় সচেতন থাকুন। ইউজারদের নতুন একটি অনলাইন স্ক্যাম বা প্রতারণার ফাঁদ থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন অনেক বিশেষজ্ঞরা। একে বলা হচ্ছে, জি-মেল ফিশিং। অনেক টেকসেবি মানুষকেও বোকা বানাচ্ছে এ ফাঁদ। ওয়ার্ডপ্রেস নিরাপত্তা পরিসেবা ওয়ার্ডফেন্সের প্রধান মার্ক মন্ডার প্রথম এই স্ক্যামটির খোঁজ পান। তাঁর মতে, স্ক্যামটি অভিজ্ঞ কারিগরি ইউজারদেরও চিট করছে। জি-মেল ছাড়াও অন্যান্য পরিসেবাতেও এই ফাঁদ পাতার বিষয়টি লক্ষ করা যাচ্ছে।

এই ফাঁদ পাততে দুষ্কৃতিরা জি-মেল ইউজারের অ্যাকাউন্টে একটি মেল পাঠায়। পরিচিত কোনো উৎস বা বন্ধুর ছদ্মবেশে ওই মেল পাঠানো হয়, যাতে তার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার কথা বলা হয়। এতে একটি অ্যাটাচমেন্ট থাকতে পারে, যা ওই ব্যক্তিকে বা অ্যাকাউন্টে আগে কোনো কিছু পাঠিয়ে থাকলে হুবহু তার মতো দেখায়। ওই অ্যাটাচমেন্টে ক্লিক করলে কোনো প্রিভিউ দেখায় না, বরং আরেকটি নতুন ট্যাব খুলে যায় এবং আবার গুগলে লগইন করতে বলে। যখনই আপনি তাতে সাইন-ইন করবেন, আপনি ওই প্রতারণার ফাঁদে পড়ে যাবেন। কিন্তু এই হ্যাকের ঘটনা সহজে বোঝা যায় না। কারণ, ব্রাউজারের লোকেশন বারে যথারীতি ‘accounts.google.com’ দেখা যায়।

যেভাবে বাঁচবেন এই প্রতারণার ফাঁদ থেকে

যখনই কোনো পরিসেবার জন্য সাইন-ইন করবেন, তখনই ব্রাউজার লোকেশন পরীক্ষা করুন ও প্রটোকল ঠিক আছে কি না খেয়াল করুন। এরপর হোস্ট নেমের দিকেও তাকান। ‘accounts.google.com’ হোস্টনেমের আগে ‘https://’ ও নিচের সাইন ছাড়াও অন্য কিছু আছে কি না দেখুন। আরও খেয়াল করুন, এই দুটির রং সবুজ কি না। বাঁ দিকে এই দুটি জিনিসের রং সবুজ না থাকলে বিপদ। যদি নিশ্চিত হতে না পারেন, তবে যেখানে সাইন-ইন করতে যাচ্ছিলেন, সেটি আসল পেজ কি না, সে সম্পর্কে সন্দেহ করতে পারেন। পারলে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করুন। এতে হ্যাকারের পক্ষে পাসওয়ার্ড চুরি করা সম্ভব হলেও অ্যাকাউন্টে ঢোকা কঠিন হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.