NASA-য় ব্ল্যাক হোল নিয়ে যুগান্তকারী আবিষ্কারের পথে ভারতীয় বিজ্ঞানী

নয়াদিল্লি: নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপের সাহায্যে ব্ল্যাক হোল নিয়ে গবেষণা করছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক বিজ্ঞানী। অসমের রঙ্গমন বরদলই নামে এই বিজ্ঞানী ও তাঁর দল গবেষণা থেকে জানতে পেরেছেন যে, প্রায় ৬০ লক্ষ বছর আগে ছায়াপথের ব্ল্যাক হোলে শেষবার একগুচ্ছ ফাঁপা গ্যাস প্রবেশ করতে পেরেছিল এবং এক ধাক্কায় প্রকাণ্ড বুদবুদ এর আকারে তা বেরতে থাকে। ব্ল্যাক হোল থেকে আজও এই গ্যাস নির্গত হয়।

কেমব্রিজের ম্যাসাচুয়েটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির গবেষকরা জানিয়েছিলেন, ছায়াপথের ব্ল্যাক হোল থেকে নির্গত বুদবুদ আকারের এই গ্যাস দূর থেকে আলোর তরঙ্গের মত দেখতে লাগবে।

হাবল স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে জানা সম্ভব হয়েছে এই আলোর তরঙ্গের ন্যায় চলা গ্যাস গুলি পৃথিবীর দিকে ধাবমান কি না, বা পৃথিবী থেকে দূরে সরে যায় কি না। এর মাধ্যমে ব্ল্যাক হোল নিঃসৃত গ্যাসের গতিও বোঝা যায়।

- Advertisement -

এই গতি পরীক্ষা করেই গবেষকরা বুঝেছেন এবং এই সিদ্ধান্তে পৌঁছিয়েছেন যে এই গ্যাসের সৃষ্টি হয়েছিল আজ থেকে ৬০ লক্ষ বছর আগে। ব্ল্যাক হোলের মধ্যে একসঙ্গে অনেক পরিমাণে গ্যাস প্রবেশ করেছিল যা আজও বুদবুদ আকারে নির্গত হচ্ছে। এই বুদবুদের ঘনত্ব দেখেও বোঝা যায় যে কী প্রকাণ্ড পরিমাণে গ্যাস ব্ল্যাক হোলের মধ্যে ৬০ লক্ষ বছর আগে প্রবেশ করেছিল।
এই ব্যাপারে ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী বরডলই জানিয়েছেন যে, “মানুষের কাছে ৬০ লক্ষ বছর মানে অনেক। কিন্তু মহাকাশে এই সময়টা চোখের পলকে চলে যায়। এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বয়স ১৩৭০ কোটি বছর।”

All rights reserved by @ Kolkata24x7 II প্রতিবেদনের কোন অংশ অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
-