নয়াদিল্লি : উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দফতর। দেশে ক্রমশ বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। নতুন করে পাঁচটি রাজ্যে করোনা হানা শুরু হয়েছে। সেই পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ হতে চলেছে, দেশের বাকি রাজ্যগুলির কি করণীয় সব খতিয়ে দেখতে জরুরি বৈঠকে বসে প্রধানমন্ত্রীর দফতর। উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কী ধরণের ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সেই সব আলোচনা করা হয়েছে এদিনের বৈঠকে।

এই পরিস্থিতিতে বেশ কিছু জরুরি পদক্ষেপ কেন্দ্র নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে নতুন করে সংক্রমণের খবর মিলছে। মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি করোনার রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে। এই রাজ্যে ৬ হাজার ৯৭১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এরপরই রয়েছে কেরল। এই রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৭০ জন। এছাড়া তমিলনাড়ু (৪৫২), কর্নাটক (৪১৩) ও পঞ্জাব (৩৪৮) রয়েছে সর্বাধিক আক্রান্তের তালিকায়। পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে মহারাষ্ট্র, কেরল ও পঞ্জাব নিয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ রয়েছে। গত এক সপ্তাহে এই রাজ্যগুলিতে হু হু করে বেড়েছে সংক্রমণ। এছাড়া ছত্তিশগড় ও মধ্য প্রদেশেও বাড়ছে করোনার গ্রাফ।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় ৮৩টি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৭৮.৩১ শতাংশ রয়েছে ৫টি রাজ্যের মধ্যে। মহারাষ্ট্র (৩৫), কেরল (১৫), পঞ্জাব (৬), ছত্তিশগড় (৫) ও মধ্য প্রদেশ (৪)। মহারাষ্ট্রে এখন সপ্তাহের পজেটিভ মামলার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি (৮.১ শতাংশ)। এরপরই রয়েছে কেরল (৭.৯ শতাংশ)। মহারাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণ ৪.৭ শতাংশ থেকে ৮.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার দেশে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ১ লক্ষ ৫০ হাজার ৫৫ জন। যা পজিটিভ কেসের ১.৩৬ শতাংশ। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে দেশের ৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় কোনও সংক্রমণের খবর আসেনি।

দেশের ৫টি রাজ্যকে করোনা পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। যত বেশি সম্ভভ RT-PCR পরীক্ষা করানোর কথা বলা হয়েছে। ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে ফলাফল নেতিবাচক এলেও RT-PCR করাতে হবে। করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে প্রতিটি এলাকায় পরীক্ষার উপর জোর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রের আমরাবতীতে শুরু হয়েছে লকডাউন। করোনা বিধি না মানলে রাজ্যেও লকডাউনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।