বেঙ্গালুরু: সিএএ-র বিরুদ্ধে আসাদুদ্দিন ওয়াইসির সভায় এক মইলা মঞ্চ থেকে বলতে শুরু করেন ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ।’ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য তৈরি হয় বেঙ্গালুরুতে। কোনোরকমে ওই মহিলাকে মঞ্চ থেকে টেনে নামানো হয়। ঘটনার পর ‘আমুল্য’ নামে ওই মহিলার বাবা বলেন, ‘ও যা বলেছে তা ভুল করেছে।’

ওই মহিলার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই দেশদ্রোহিতার মামলা হয়েছে। তাঁর বাবার দাবি, ‘কিছু মুসলিম ওর সঙ্গে রয়েছে। আমার কথা ও শোনেনি।’ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই বললেন তাঁর বাবা। কর্ণাটকের মন্ত্রী সিটি রবি বলেন, দেশদ্রোহীদের কোনও ভাবেই ক্ষমা করা হবে না।

এদিন নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে সভা চলছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আসাদুদ্দিন ওয়াইসি। আর সেই মঞ্চে দাঁড়িয়েই ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেন ওই মহিলা। তাঁকে নামাতে রীতিমত বেগ পেতে হয় আয়োজকদের।

সিএএ ও এনপিআর-এর বিরুদ্ধে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল প্রধান সাংসদ আসাদুদ্দিন ওয়াইসির বেঙ্গালুরুর র‍্যালিতে আচমকাই ওই মহিলা মঞ্চে উঠে পড়েন। স্বাভাবিকভাবে সভাস্থলে ঝামেলা শুরু হয়। অনেকেই দৌড়ে এসে মহিলাকে থামানোর চেষ্টা করে।

ওই মহিলা মঞ্চে উঠে ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ আর ‘ভারত জিন্দাবাদ’ স্লোগানের মধ্যে পার্থক্য বোঝাচ্ছিল। এরপর র‍্যালির আয়োজকরা তাঁর কাছ থেকে মাইক কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। ছুটে আসেন আসাদুদ্দিনও। এরপরেও ওই মহিলা স্লোগান থামায়নি। তারপর পুলিশ আর সভার আয়োজকেরা ওই মহিলাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেয়।

এই ঘটনার পর আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ঘটনার নিন্দা করেন। আর তিনি বলেন, ‘ওই মহিলার সঙ্গে আমার বা আমার দলের কোনও সম্পর্ক নেই। আমাদের কাছে হিন্দুস্তান জিন্দাবাদ ছিল, আছে আর থাকবে।’ ওই মহিলার নাম আমুল্য লিওনা।

আরেকদিকে আজ আসাদুদ্দিন ওয়াইসির দলের আরেক নেতার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে ওই নেতা দেশের ১৫ কোটি মুসলিমকে একসঙ্গে হয়ে লড়াই করার উস্কানি দিচ্ছেন। উনি ১৫ কোটি মুসলিমদের ১০০ কোটি হিন্দুদের বিরুদ্ধে উস্কে দেশে ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় রাখার নিদান দিচ্ছেন।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV