হাওড়া : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে আমতা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ‘জাতীয় যুব’ সুকান্ত পাল। হাওড়া জেলার রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ নাম সুকান্ত পাল। দামোদর তীরবর্তী আমতা-২ ব্লকের তাজপুর গ্রামে ১৯৮০ সালের ১২ ই জানুয়ারী জন্ম। ছোটো থেকেই তাজপুর এম.এন রায় ইন্সটিটিউশানের একজন একজন মেধাবী পড়ুয়া রূপে নিজেকে তুলে ধরেছিলেন।

পড়াশোনার পাশাপাশি ছোটো থেকেই মানুষের সেবার স্বপ্ন দেখতেন। স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে আমতা রামসদয় কলেজের রসায়ন বিভাগে পা রাখলেন সদ্য যুবক হওয়া সুকান্ত। পাশাপাশি চলতে থাকল মানবসেবা। ১৯৯৮ সালে কলেজে ছাত্রপরিষদের হাত ধরে রাজনীতিতে আসেন। ১৯৯৯ সালে আমতা রামসদয় কলেজের ছাত্র সম্পাদক নির্বাচিত হলেন। পরবর্তীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন তাজপুরের ভূমিপুত্র সুকান্ত। একদিকে নিরন্তর সমাজসেবা, সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা, অন্যদিকে রাজনীতি; এভাবেই ক্রমে ছাত্র-যুবর নয়নের মণি হয়ে উঠলেন কর্মে বিশ্বাসী এই অকৃতদার যুব নেতা। নিজ কর্ম, ভাবনা, ত্যাগের মধ্য দিয়ে তিনি ছাত্র-যুবর কাছে কার্যত আইকন হয়ে উঠলেন। আর তারই স্বীকৃতি স্বরূপ ২০০৮ সালে ভারত সরকারের ‘জাতীয় যুব সম্মান’-এ সম্মানিত হলেন মানবদরদী এই যুব সংগঠক।

পাশাপাশি, আমতার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের বুকে ক্রীড়া ও সংস্কৃতির মশাল জ্বালাতে প্রতি বছর আয়োজন করেন ‘সম্প্রীতি উৎসব’, ‘সংহতি গোল্ড কাপ’। যত সময় গড়াল, দলের তরফে দায়িত্বও তত বাড়ল। ২০১৪ সালে হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হলেন। আমতা-২ ব্লকের অগণিত মানুষের আশীর্বাদে আমতা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হলেন। দলের হাওড়া জেলার মুখপাত্রের গুরু দায়িত্বও তাঁর উপর দেওয়া হল। সমস্ত দায়িত্ব কাঁধে নিয়েই একদিকে আমতার প্রত্যন্ত গ্রামগুলিকে ঢেলে সাজিয়েছেন, অন্যদিকে, রোদ-জল-ঝড়কে উপেক্ষা করে আমতার বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বন্যা, আম্ফান, করোনা পরিস্থিতিতে কার্যত নিজ প্রাণ বাজি রেখে বিপর্যস্ত মানুষের সেবায় ঝাঁপিয়ে পড়েছেন বছর চল্লিশের সুকান্ত। আর তা করতে গিয়ে করোনাতেও আক্রান্ত হতে হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু, নিজের অদম্য সাহস, ইচ্ছেশক্তি, আর অগণিত মানুষের আশীর্বাদকে সাথে নিয়ে করোনা হারিয়ে ফের নিজের লড়াইয়ের ময়দানে ফিরেছেন আমতার এই যুব সংগঠক।

ছাত্র, যুবর নয়নের মণি, আমতার উন্নয়নের কান্ডারী, সুদক্ষ সংগঠক, যোগ্য প্রশাসক, শিক্ষা-সুস্থ সংস্কৃতি-ক্রীড়ার পৃষ্ঠপোষক হিসাবে এলাকায় পরিচিত এবং সুনাম অর্জন করা সুকান্ত পালকেই এবার নিজেদের প্রার্থী হিসাবে বেছে নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.