স্টাফ রিপোর্টার ,হাওড়া: কারও সন্তান ডাক্তার, কারওবা ইঞ্জিনিয়র, শিক্ষক কিংবা বড় আমলা। তবুও ওঁরা ওঁদের শেষ বয়সে মা’য়েদের ঠিকানা হিসাবে পৌঁছে দিয়েছে বৃদ্ধাশ্রমে। আমতা-২ ব্লকের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পরিচালিত বৃদ্ধাশ্রমের এক ছাদের তলাতেই শেষ জীবনটা কাটাচ্ছেন এমনই বেশ কয়েকজন বৃদ্ধা। করোনা নিয়ে যখন উদ্বিগ্ন গোটা বিশ্ব, তখনই ওই অসহায় বৃদ্ধাদের পাশে দাঁড়াল আমতা-২ পঞ্চায়েত সমিতি।

 

পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুকান্ত কুমার পালের উদ্যোগে অমরাগড়ীর ওই বৃদ্ধাশ্রমের ২৩ জন মায়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে থার্মাক গান দিয়ে জ্বর পরীক্ষা করেন আমতা-২ ব্লক স্থাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসক মিঠুন মাইতি ও স্থানীয় অমরাগড়ী বি বি ধর হাসাপাতালের সুপার চিকিৎসক সুকান্ত বিশ্বাস।পাশাপাশি,সংশ্লিষ্ট স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের হাতে মায়েদের জন্য চাল,ডাল,তেল,আলু,পেঁয়াজ,সোয়াবিন সহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।সুকান্ত পাল বলেব,”মানুষের পাশে থাকতে আমতা-২ পঞ্চায়েত সমিতি বদ্ধপরিকর।”

 

এদিকে, কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কেন্দ্রের নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী অনেক জেলাতেই করোনা-লকডাউন শিথিলিকরণের কথা ভাবা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, আগামী ৪ মে থেকে নয়া নির্দেশিকা কার্যকর হবে। উল্লেখ্য, ওই দিনই আবার দেশজুড়ে লকডাউনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মুখপাত্র বুধবার এক ট্যুইটবার্তায় এই আভাস দিয়েছেন। তবে, জেলাগুলিতে লকডাউন শিথিল সংক্রান্ত বিশদ কিছু জানানো হয়নি। কোন কোন জেলায় করোনা-লকডাউন শিথিল হবে, তারও উল্লেখ নেই। কেন্দ্রীয় মুখপাত্রের কথা অনুযায়ী, ৪ মে’র আগেই বিশদ জানিয়ে দেওয়া হবে।

 

 

এর আগে আর এক বার্তায় কেন্দ্রের তরফে ঘোষণা করা হয়, দেশজুড়ে চলা লকডাউনের কারণে কয়েক লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক এবং পড়ুয়া, যাঁরা অন্যত্র একমাসেরও বেশি সময় ধরে আটকে রয়েছেন, তাঁদের এ বার ঘরে ফেরার অনুমতি দেওয়া হবে। তবে, ৩ মে’র পর থেকে দেশের সর্বত্র একসঙ্গে যে লকডাউন উঠছে না, সে ইঙ্গিত এদিন দিনের শুরুতেই মিলেছে। দেশজুড়ে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এখনও বাড়তে থাকায়, লকডাউন সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া ঝুঁকির হয়ে যাবে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ