অমৃতসর: রবিবার অমৃতসর বিস্ফোরণ কাণ্ডে ফের উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর তথ্য৷ আর এই ঘটনায় ২ সন্দেহভাজনের যুক্ত রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে৷ নিরনকারী ভবন কমপ্লেক্সের কাছে মোটরসাইকেলে দুজন আরোহীকে সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখতে পাওয়া যায়৷ মাথায় পাগড়ি, সঙ্গে পিস্তল ছিল বলে জানা যায়৷

উল্লেখ্য, রবিবার প্রবল শব্দে চমকে যান এলাকাবাসী৷ তখনই জানা যায়, বাইকে করে আসা দু’জন ছুঁড়ে দিয়েছে গ্রেনেড৷ যারা কোনওমতে বেঁচে গিয়েছেন তাঁদের বয়ান থেকে পুলিশ খুঁজছে মুখ ঢেকে আসা হামলাকারীদের৷ কালো কাপড়ে মুখ সম্পূর্ণ ঢেকে বাইক করে হামলা চালানো হয়েছে অমৃতসরের নিরঙ্কারী সৎসঙ্গ আশ্রমে৷ এই গ্রেনেড বিস্ফোরণে তিন জনের মৃত্যুর খবর আসছে৷ জখম হয়েছে ১০-১২ জনেরও বেশি৷

পড়ুন: অমৃতসরে বিস্ফোরণে নিহত তিন, হামলায় খালসা জঙ্গিরা?

জানা গিয়েছে, অমৃতসর আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর লাগোয়া গ্রাম রাজাসান্সিতে থাকা নিরঙ্কারী সৎসঙ্গ আশ্রমে হামলা হয়েছে৷ পাক সীমান্ত থেকে কিছুটা দূরে এই এলাকা৷ ফলে হামলার পর থেকেই পাঞ্জাব জুড়ে কড়া সতর্কতা জারি হয়েছে৷ উঠতে শুরু করেছে পক মদতপুষ্ট জঙ্গি হামলার প্রসঙ্গ৷ সম্প্রতি গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছিল, কাশ্মীরে নাশকতার দায়িত্ব নেওয়া জঙ্গি জাকির মুসা ফিরোজপুরে এসেছে৷ তারপরই হল গ্রেনেড হামলা৷

পড়ুন: ‘অমৃতসর বিস্ফোরণে হাত রয়েছে সেনাপ্রধানের’, মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের ঝড়

ঘটনার জেরে স্তম্ভিত পাঞ্জাব৷ এদিকে সতর্কতা জারি হয়েছে দিল্লি ও হরিয়ানার সর্বত্র৷ কারা হামলা চালাল সেই বিষয়ে উঠছে প্রশ্ন৷ মূলত পাঞ্জাবের মাটিতে নাশকতা ঘটানোর দায় গিয়ে পড়ে সেই বব্বর খালসা জঙ্গি সংগঠনের ঘাড়ে৷ পাকিস্তানি মদতপুষ্ট এই উগ্র শিখ সংগঠনের হামলায় বারে বারে রক্তাক্ত হয়েছে পঞ্জাব৷

পড়ুন: অমৃতসর বিস্ফোরণ: কালো কাপড়ে মুখ ঢেকে গ্রেনেড ছুঁড়ল ওরা

তবে এর পাশাপাশি উঠে আসছে নতুন নতুন তথ্য৷ মনে করা হচ্ছে, এই হামলার জন্য বিদেশ থেকে ফান্ডিং হয়েছিল৷ যার সাহায্যে আইএসআই-এর স্লীপার সেল স্থানীয় যুবকদের হাতে হ্যান্ড গ্রেনেড তুলে দেয়৷ আর এবার সিসিটিভি ফুটেজ থেকে প্রাপ্ত ছবির সূত্র ধরে তদন্ত চলছে৷