ওয়াশিংটন: করোনা মহামারীর মাঝে নতুন আতঙ্কের নাম ‘আমফান’। দেশের একাংশে তৈরি হয়েচে নতুন উদ্বেগ। বহু মানুষকে উপকূল থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

মৌসম ভবন ও আলিপুর আবহাওয়া দফতরের দেওয়া রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রশাসন। সকালে পাওয়া খবর অনুযায়ী দিঘা থেকে মাত্র ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে সেই ঝড়, আর ওডিশার পারাদ্বীপ থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে।

কী অবস্থায় আছে আমফান, সেই স্যাটেলাইট ইমেজ প্রকাশ করল নাসা।

NASA Image

আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আমফান মারাত্মক শক্তি নিয়ে পূর্ব উপকূলের দিকে অগ্রসর হছে। বুধবার আছড়ে পড়ার কথা রয়েছে সুন্দরবনের নিকটবর্তী এলাকায়। আশঙ্কায় বাংলাদেশ ইতিমধ্যে বাসিন্দাদের সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু করে দিয়েছে। দিঘা থেকে এর দূরত্ব মাত্র ২২৫ কিলোমিটার। পারাদ্বীপ থেকে ১২৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই ঝড়।

আমফানের জেরে কমেছে শহরের পারদও। তাও এক ধাক্কায় ৬ ডিগ্রি। মঙ্গলবার মরসুমে প্রথমবার সকালেই ২৯ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গিয়েছিল পারদ। বুধবার তা অনেকটাই নেমে এসেছে। বুধবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম।

পশ্চিমবঙ্গের ৬ জেলায় মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে আমফানের। এর মধ্যে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, হুগলী ও কলকাতা।

সব ধরনের কাঁচা বাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। পুরনো বাড়িগুলিরও কিছু ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি যোগাযোগ ও বিদ্যুতের খুঁটিগুলি উপড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ব্যাপক ঘূর্ণিঝড়ে বিভিন্ন স্থানে রেল লাইন ও রাস্তা সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকছে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ফসল ও বাগানেরও ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.