হাওড়া: ঘূর্ণিঝড় আমফানের জেরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে হাওড়ার শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনের। অনেক দুষ্প্রাপ্য বিরল প্রজাতির গাছ ঝড়ে ভেঙে পড়েছে। প্রাচীন বটবৃক্ষেরও অনেক ক্ষতি হয়।

রবিবার দুপুরে শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেন পরিদর্শনে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এখানে। এখানে পনেরো হাজারেরও বেশি গাছ আছে। কিছু গাছ আছে শতাধিক বছরের। এখানে খুব পুরনো ঝাউ, মেহগনি গাছ সাধারণত খুব শক্ত হয়। সেই গাছগুলোর মূল থেকে উপড়ে গেছে, না হয় মাঝখান থেকে ভেঙে গেছে।

পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, ৫ তারিখ পরিবেশ দিবসে তিনি গাছ লাগাবেন। মানুষকে গাছ লাগানোর অনুরোধ জানাবেন। তিনি বলেন, এটা প্রকৃতির ভয়ঙ্কর রূপ। এই ক্ষতির কোন মাপকাঠি নেই। এই ক্ষতি সকলে মিলে পূরণ হবে।

কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্য ছাড়া এর ধাক্কা থেকে উঠে আসা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন দিলীপ বাবু। তিনি বলেন এটা নিশ্চিত বিপর্যয়। সেই বিপর্যয়ের যে সীমা পরিসীমা দেখে অবশ্যই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন করা উচিত বলে মনে করেন তিনি। কেন্দ্রের সহযোগিতা ছাড়া এর পুনর্নির্মাণ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ঠিকঠাক তথ্য পাওয়া গেলে পুনর্নির্মাণের পক্ষেও সুবিধা হবে। ঝড়ের দিনই মনগড়া যা ইচ্ছে বলে দিলাম এর কোনও ভিত্তি নেই। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, কিছু বলে দেওয়ার ওনার একটা অভ্যাস আছে। মুখ্যমন্ত্রী বলে দিলেন জাতীয় বিপর্যয়। জাতীয় বিপর্যয় বলে কিছু হয়না বলে দাবি করে দিলীপ ঘোষ বলেন, এর কোনও মাপকাঠি নেই। এর কোনও টার্ম হয়না। বিপর্যয় আসলে বিপর্যয়ই। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাপ করে সরকারের কাছে দেওয়া উচিত। সহযোগিতার পক্ষে যাতে সুবিধা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.