নয়াদিল্লি: কোভিড-১৯ এর মধ্যে বাংলা ও ওডিশাকে ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ দিয়েছে আমফান৷ বুধবার ঘূর্ণিঝড় আমফানের তাণ্ডবে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন৷ ক্ষতি হয়েছে বহু কোটি টাকার৷ পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশকে নাড়িয়ে দিয়ে গিয়েছেন ভয়াল ও ভয়ংকর এই সাইক্লোন৷

আমফানের ফলে শুধু বাংলাতেই মারা গিয়েছে ৮৬ জন৷ আর বাংলাদেশ এখনও পর্যন্ত প্রাণহানীর খবর পাওয়া গিয়েছে ২২ জনের৷ গৃহহীন হয়েছে হাজার হাজার মানুষ৷ আমফানের এই ভয়াবহতা দেখে একে আয়লার থেকে ভয়ংকর অ্যাখ্যা দিল রাষ্ট্রসংঘ৷

শুক্রবার ভারতে রাষ্ট্রসংঘের তরফে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় আমফান এক দশক আগের আয়লার থেকে ভয়ংকর৷ আমফানের জেরে কলকাতা ও তার সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সাইক্লোন আয়লার থেকে বেশি ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছিল সাইক্লোন আমফান৷’

২০০৯ সালের মে মাসে পূর্ব ভারত ও দক্ষিণ বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় আইলার৷ এতদিন পর্যন্ত সেটাই ছিল দুই বাংলার মানুষের কাছে বিভীষিকীময়৷ কিন্তু বুধবার আমফান যে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে, তা আয়লার থেকেও ভয়ংকর৷

রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, আমফানের ফলে কলকাতায় ট্রান্সফরমার ও টেলিযোগাযোগ বিকল হয়ে পড়েছে, গাছ উপড়ে ফেলেছে বহু জায়গায়৷ বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়ে গিয়ে বিদ্যুৎহীন বহু এলাকা৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যপাল জয়দীপ ধনকড়কে সঙ্গে নিয়ে এদিন বাংলার ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷

২০০৯ সালে বাংলার বুকে তাণ্ডব চালিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় আয়লা। এর তাণ্ডবে তছনছ হয়ে গিয়েছিল সুন্দরবন এলাকা। ঝড়ের বেগ ছিল ঘণ্টায় ১১২ কিমি। কিন্তু আয়লার থেকেও ভয়ংকর রূপ ধারণ করে আমফান। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, আমফানের সর্বোচ্চ ঝড়ের সর্বোচ্চ বেগ ছিল ঘণ্টায় ১৮৫ কিমি। কলকাতায় ঝড়ের সর্বোচ্চ বেগ ঘণ্টায় ১৩৩ কিমি।

আমফানের তাণ্ডবে কার্যত তছনছ হয়ে গিয়েছে বাংলার দুই চব্বিশ পরগনা৷ শুক্রবার ঘূর্ণিঝড় বিধ্বংস্ত এলাকা পরিদর্শন করে বিপর্যয় মোকাবিলা এবং ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাকে হাজার কোটির অর্থ সাহায্যের কথা ঘোষণা করেন মোদী। পাশাপাশি আমফানে মৃতের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবারই মৃতদের পরিবারকে ২.৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।