মুম্বই: বিরাট কোহলি ও অনুষ্কা শর্মা। এই মুহূর্তে দেশের অন্যতম চর্চিত দুটি নাম। একজন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ও অন্যজন বলিউডের অন্যতম সেরা অভিনেত্রী। দীর্ঘ চার বছরের সম্পর্কের পর ২০১৭-এর ডিসেম্বরে ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তাঁরা।

এর মধ্যেই খুশির খবর শুনিয়েছেন এই সেলেব দম্পতি। আগামী জানুয়ারিতে মা হতে চলেছেন অনুষ্কা। কিন্তু তার আগে সামনে এলো বিরুস্কার মোট সম্পত্তির পরিমাণ। ২০২০র জানুয়ারির হিসেবে তাঁদের দুজনের মোট আয়ের পরিমাণ প্রায় ১২০০ কোটি টাকা। এই মুহূর্তে দেশের সব চেয়ে ধনী সেলেব্রিটি কাপলদের মধ্যে বিরুস্কা যে অন্যতম তা বলাই যায়।

ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে অনুস্কার বেবি বাম্প সহ যোগাসনের ছবি। তাতে তাঁকে সাহায্য করতে দেখা গিয়েছে স্বামী বিরাটকে। ২০১৯-এ আয়ের দিক থেকে সলমন খানকে পেছনে ফেলে ফোরবস ম্যাগাজিনের রিপোর্ট অনুযায়ী এক নম্বর স্থান অধিকার করেন বিরাট। সে বছর তাঁর মোট আয় ছিল ২৫২.৭২ কোটি টাকা। ২০১৯-এর এই আয়ের ফলে বিরাটের মোট আয় দাঁড়ায় ৯০০ কোটি টাকা। চলতি বছরে আইপিএল-এ রয়্যাল চ্যালেঞ্জারস ব্যাঙ্গালরের হয়ে খেলার জন্য ১৮ কোটি টাকা পান তিনি। এছাড়াও বিসিসিআই তরফে তাঁকে বছরে সাত কোটি টাকা বার্ষিক পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া হয়। এছাড়াও বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ডও এন্ডরস করেন তিনি। এছাড়াও দুটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে বিরাটের। তাই ধরে নেওয়া যেতেই পারে, তাঁর মোট সম্পত্তি প্রায় এক হাজার কোটি টাকার আশেপাশে।

অন্যদিকে, ২০১৯-এ অনুস্কার আয়ের পরিমাণ ছিল ২৮.৬৭ কোটি টাকা যদিও সেটি তাঁর ২০১৮-এর আয়ের তুলনায় অনেকটাই কম ছিল। সে বছর অনুশকার আয়েক পরিমাণ ছিল ৪৫.৮৩ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে অনুস্কার মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা। ক্লিন স্টেট ফিল্মস নামে তাঁর নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থাও রয়েছে। ইতিমধ্যে, এই সংস্থার ব্যানারে বেশ কয়েকটি সিনেমার প্রযোজনাও করেছেন তিনি। এছাড়াও বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ড এন্ডরসমেন্ট ছাড়াও নুশ নামক তাঁর একটি ফ্যাশন লেবেলও রয়েছে।

এছাড়াও মুম্বাইয়ে ৩৪ কোটি মূল্যের একটি এপার্টমেন্ট রয়েছে বিরুস্কার। এছাড়াও গুরগাও-এও ৮০ কোটি মূল্যের একটি বাড়ি রয়েছে তাঁদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।