চেন্নাই : সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বিপুল পরিমাণে মজুত করা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। চেন্নাই বন্দরে মজুত করা ছিল ৭০০ টন বাজেয়াপ্ত করা এই বিস্ফোরক। ফলে ছড়াচ্ছিল আতঙ্ক। লেবানেন রাজধানী বেইরুটে প্রবল বিস্ফোরণের পিছনে এই অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের ভূমিকা ছিল মারাত্মক। ফলে সেই পরিণতিরই আশঙ্কা করছিলেন সাধারণ মানুষ।

সেই ভয়াবহ ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার মজুত করা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সরানো হচ্ছে হায়দরাবাদে। সড়ক পথে এই বিস্ফোরক নিয়ে যাওয়া হবে বলে খবর। হায়দরবাদের এক কোম্পানি ই অকশনের মাধ্যমে ২০০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ক্রয় করেছে বলে খবর। বেইরুট বিস্ফোরণ প্রাণ কেড়েছে ১৩৫জনের।

তারপরেই নড়েচড়ে বসে চেন্নাই বন্দগর প্রশাসন। জানা গিয়েছিল বছর বছর ধরে সেই অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট মজুত করা হয়েছে চেন্নাই বন্দরে। এই অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট আতশবাজি ও রাসায়নিক সার তৈরিতে কাজে লাগে। এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক শিবকাশি কোম্পানির, যারা বাজি তৈরি করে। ২০১৫ সালে এটি বাজেয়াপ্ত হয়। তখন থেকে চেন্নাই বন্দরেই পড়ে রয়েছে এই ৭০০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট।

চেন্নাই বন্দরের জনসংযোগ আধিকারিক জানান ২০১৫ সালে প্রায় ৩৬টি কন্টেনার বাজেয়াপ্ত করা হয়। যার প্রতিটির মধ্যে ২০ টন করে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ছিল। শুল্ক দফতরের অধীনেই রাখা হয় এই বিপুল পরিমাণে নাইট্রেট। পরে বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন হয়ে যাওয়ায় অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ওখানেই পড়ে থাকে।

উল্লেখ্য বেইরুটে বিস্ফোরণের পিছনে ছিল অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। ফলে আতঙ্ক বাড়ছে চেন্নাই জুড়ে। রাজ্যের বিরোধী দল পিএমকে প্রধান রামাদস রেড্ডি এই বিস্ফোরক নিরাপদ জায়গায় সরানোর দাবি করেন।

সূত্রের খবর অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট কন্টেনারে ভরার প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখবে সত্ত্বা কন্টেনার ফ্রেইট স্টেশন। চেন্নাই বন্দরে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট মজুত রয়েছে এই খবর পাওয়ার পরেই দেশ জুড়ে আলোড়ন তৈরি হয়।

এই খবরের ওপর ভিত্তি করে তামিল নাড়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ জানায়, এই ফ্রেইট স্টেশন, যেখানে বিস্ফোরক মজুত রয়েছে, সেখান থেকে জনবসতি মাত্র ৭০০ মিটার দূরে। এখানে বাস করেন কমপক্ষে সাত হাজার মানুষ। ফলে শয়ে শয়ে মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।