মুম্বই- দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে ভূষিত হলেন অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। রবিবার রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁর হাতে এই পুরস্কার তুলে দিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। দীর্ঘ সময় ধরে চলচ্চিত্র জগতে বিগবি যা অবদান রেখেছেন, তার জন্যই ভারত সরকার তাঁকে এই সম্মানে ভূষিত করল।

চলচ্চিত্র জগতের এই সম্মানে সম্মানিত হয়ে অমিতাভ বলেন, এই পুরস্কারের জন্য আমার নাম ঘোষণা করার পরে আমার মনে হয়েছিল, এই পুরস্কার কি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে আমি যথেষ্ট কাজ করে ফেলেছি! এবার ঘরে বসে আরাম করার সময় এসে গিয়েছে। তবে আমার এখনও কিছু কাজ বাকি রয়ে গিয়েছে। সেটা আমায় শেষ করতে হবে।

এদিন রাষ্ট্রপতি ভবনে উপস্থিত ছিলেন স্ত্রী জয়া বচ্চনও। বিগ-বি যখন পুরস্কার গ্রহণ করছেন তখন দর্শকাসনে বসেছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন ছেলে অভিষেক বচ্চনও।

শারীরিক অসুস্থার কারণে জাতীয় পুরস্কার প্রদানের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি অমিতাভ বচ্চন। তাই সেদিন দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কারও নিতে পারেননি তিনি। সে কারণেই আজ এই অনুষ্ঠানের অয়োজন করেছিল ভারত সরকার।

জাতীয় পুরস্কার প্রদানের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে লিখেছিলেন, কোথাও যেতে নিষেধ করেছেন চিকিৎসক। সে কারণেই জাতীয় পুরস্কারের অনুষ্ঠানে যেতে পারছি না। দুভার্গ্যজনক। খারাপ লাগছ।

অবশেষে সেই পুরস্কার আজ রবিবার রাষ্ট্রপতির হাত থেকে গ্রহণ করলেন অমিতাভ বচ্চন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I