মুম্বইঃ বিগ বি অমিতাভ বচ্চনের ছেলে হলেও অভিষেক বচ্চনের বলিউডের জার্নিটা সুখের ছিল না মোটেই। বলিউডে নিজের জায়গা গোড়ে তুলতে তাঁকে সম্মুখীন হতে হয়েছে দর্শকের নানা কু কথার। ‘রিফিউজি’ (২০০০) ছবির হাত ধরে বলিউডে যাত্রা শুরু হয়েছিল অভিষেকের। ছবিতে তার উল্টো দিকে ছিলেন করিনা কাপুর খান। করিনারও এটি ডেবিউ ছবি। তবে ছবিটি ফ্লপ হয়েছিল। করিনা তারপর একের পর এক হিট দিলেও অভিষেকের একাধিক ছবি ফ্লপ হতে থাকে। এই পরিস্থিতে নিজেকে সামলাতে না পেরে বলিউড ছেড়ে দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন তিনি।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে মুখ খুললেন অভিষেক। তিনি জানিয়েছেন সেই খারাপ সময় তার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বাবা অমিতাভ বচ্চন। তিনি বলেছেন, ‘একজন অভিনেতা বা শিল্পীর কাছে পাবলিক প্ল্যাটফর্মে ব্যর্থ হওয়াটা খুবই কষ্টের। সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়ার অত চল ছিল না। তবে একটি সংবাদমাধ্যমে আমি পড়েছিলাম কেউ আমায় খারাপ কথা বলছে, কেউ আমায় বলছে আমি অভিনয় পারি না। তখন আমার মনে হয়েছিল অভিনয় করাটা আমার ভুল। ইন্ডাস্ট্রিতে আসাটা আমার উচিৎ হয়নি। বাবাকে গিয়ে বলেছিলাম, অভিনয়টা হয়তো আমার জন্য নয়।’

তখন অমিতাভই পাশে দাঁড়িয়ে তাকে বুঝিয়েছিলেন। ভেঙে পরতে দেয়নি ছেলেকে। অভিষেকের কথায়, ‘বাবা বলেছিল হেরে যেতে আমি তোমায় সেখাইনি। হেরে যাওয়ার জন্যে তোমায় আমি বড় করিনি। প্রতিদিন সকালে সূর্যের দিকে তাকিয়ে তোমায় নিজের পায়ের তলার জমিটা শক্ত করতে হবে ইন্ডাস্ট্রিতে। অভিনেতা হিসাবে প্রতিটা ছবিতেই নিজেকে উন্নতি করতে হবে তোমায়। তমার কাছে যে চরিত্রগুলো আসছে সেগুল গ্রহন করো, কাজে মনোনিবেশ করো। দেখবে তুমি ঠিক সফল হবে। ভাল কাজ করবে।’

বাবার সেই কথাগুলোই তাকে শক্ত করেছে। তাকে উৎসাহ দিয়েছে। তারপরেও ছবি ফ্লপ গেছে কিন্তু তিনি হার মানেনি। কাজে মন দিয়েছেন। সম্প্রতি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে পা রেখেছেন তিনি। সাফল্যের মুখ দেখছেন। অনুরাগ বসু পরিচালিত লুডো সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। সেখানে তার অভিনয় বেশ প্রশংসিত হয়েছে। ৮ এপ্রিল ডিজনি প্লাস হটস্টারে মুক্তি পেয়েছে তার ‘দ্য বিগ বুল’ ছবিটি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.