ফাইল ছবি

জামালপুর : রাজ্যে পাঁচ দফা নির্বাচন শেষে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দাবি, বিজেপি পশ্চমবঙ্গে ১২২ আসন পেয়ে গেছে। রাজ্যে এখনও আরও তিন দফার ভোট বাকি রয়েছে। তবে তার আগেই ১১২টি আসনে জয় বিজেপি নিশ্চিত করে ফেলেছে বলে দাবি করলেন অমিত শাহ। রবিবার উত্তর পূর্বস্থলীর জামালপুর ময়দানে সভা করে এই দাবি করলেন বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি, দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপি-র তারকা প্রচারক অমিত শাহ । অমিত শাহ বলেন, “বাংলায় পাঁচ দফা নির্বাচন হয়েছে। এর মধ্যেই ১২২ আসনে জয় নিশ্চিত করে ফেলেছে বিজেপি।” তার কথায় তিনি বুঝিয়ে দেন ২০০ আসন জয়ের লক্ষ্যে বিজেপি নিশ্চিন্তে পৌঁছে যাচ্ছে।

রবিবার সভার শুরু থেকে অমিত শাহ বেশ আক্রমনাত্মক ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “বাংলার সরকার নতুন মডেল চালু করেছে। বাংলায় বোমা, গুলি, বন্দুকের জোরে সরকার চলছে। কিন্তু এই মডেল আর চলবে না। বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় উন্নয়ন হবে। সোনার বাংলা তৈরি হবে। বাংলার ভূমিপুত্রই হবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।” এদিনের সভা থেকে নন্দীগ্রাম বিধানসভার ভোটের ফলাফল নিয়ে ভবিষ্যৎবাণী করলেন শাহ। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে মমতা দিদির হার নিশ্চিত। ওখান থেকে শুভেন্দু অধিকারীর জয় নিশ্চিত।”

এদিন অমিত শাহ আবার ধুমধাম করে দিদিকে বিদায় দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে আনেন। তিনি বলেন, “মমতা দিদি যত বড় নেতা তাঁর বিদায় যেন তত জোরদার হয়। তাই দিদির হারের ব্যবধানও যেন অনেক বেশি হয়।”

এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের চোট নিয়েও কটাক্ষ করেন শাহ। বলেন, “২ মে-র আগে দিদির পায়ের চোট টিক হতে হবে। তবেই দিদি পায়ে হেঁটে ইস্তফা দিতে রাজভবনে যেতে পারেন।” পাঁচ দফা নির্বাচনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘাবড়ে গিয়েছেন বলেও এদিন অমিত শাহ দাবি করেন। অমিত শাহ বলেন, “পাঁচ দফা নির্বাচনের পরই মমতা দিদির গলার সুরই বদলে গিয়েছে।”

রাজ্যে নির্বাচন শুরুর আগে থেকেই বিজেপি-র ককেন্দ্রিয় নেতৃত্বদের বহিরাগত বলে মমতা বমন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের নেতানেত্রীরা সমালোচনা করছেন। বহিরাগত ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রায় রোজই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমালোচনা করছেন। এমন কী রাজ্যে করোনা বৃদ্ধির জন্যও মোদী-শাহকেই দায়ী করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার এই প্রসঙ্গ টেনে অমিত শাহ বলেন, “দিদি কথায় কথায় আমাদের বহিরাগত বলেন। কিন্তু দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কীভাবে বহিরাগত হয়? তাঁদের কি রাজ্যের মানুষের সঙ্গে কথা বলার অধিকার নেই।” অমিত শাহ এদিনের সভা থেকে তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে ভোটব্যাংকের রাজনীতি করার অভিযোগ তোলেন। বলেন, ‘শীতলকুচির ঘটনার পর একটা অডিও টেপ প্রকাশ হয়েছে। তাতে শোনা যাচ্ছে মমতা দিদি বলছেন, মৃতদেহ রেখে দাও। মমতা দিদি মৃতদেহ নিয়ে মিছিল করতে চান। জেলার পুলিশ সুপার ও আইসিকে ফাঁসাতে চান। বাংলায় তিন রকমের নাগরিক। এদের মধ্যে এক রকম হচ্ছে দিদির কাছের, এক রকম হলো অনুপ্রবেশকারী আর এক রকম সাধারণ নাগরিক। বাংলায় অণুপ্রবেশকারীদের জায়গা হবে না।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.