নয়াদিল্লি: এবার বীর বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে টুইট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা অমিত শাহের। ‘আমি অগ্রগণ্য বিপ্লবী শ্রী রাসবিহারী বসু মহাশয়কে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই। যাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা পরাধীন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।’ বাংলায় টুইট করে প্রয়াত বীর স্বাধীনতা সংগ্রামীকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

পাখির চোখ একুশের বিধানসভা ভোট। বাঙালি মনের আরও কাছে পৌঁছে যেতে তৎপরতা তুঙ্গে গেরুয়া শিবিরের। এর আগেই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মদিন উপলক্ষে বছরভর নানা অনুষ্ঠান পালনের পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। নেতাজির ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপনের জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

এই কমিটির শীর্ষে রয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বছরভর নেতাজি স্মরণে দেশজুড়ে নানা অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় সরকারের। দিন কয়েক আগেই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিনকে ‘পরাক্রম দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয় মোদী সরকার। দেশের স্বাধীনতার আন্দোলনে নেতাজির ভূমিকাকে কুর্নিশ জানিয়েই এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের।

এরই পাশাপাশি এবার নেতাজিকে ‘ভারতরত্ন’ সম্মান দেওয়ার দাবি তুলেছেন মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়নের আলোট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ অনিল ফিরোজিয়া। ইতিমধ্যেই এই আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছেন এই সাংসদ। বীর স্বাধীনতা সংগ্রামী সুভাষচন্দ্র বসুকে সম্মান জানিয়ে তাঁর ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে হাওড়া-কালকা মেলের নাম বদল করেছে ভারতীয় রেল। এবার থেকে হাওড়া-কালকা মেলের নাম হয়েছে ‘নেতাজি এক্সপ্রেস’।

নেতাজির পাশাপাশি এবার আর এক বীর বিপ্লবী রাসবিহারী বসুকে সম্মান জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বাংলায় টুইচ করে সাহ এদিন লিখেছেন, ‘‘আমি অগ্রগণ্য বিপ্লবী শ্রী রাসবিহারী বসু মহাশয়কে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই। যাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা পরাধীন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।তিনি গদর আন্দোলন এবং আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।তাঁর আত্মবলিদান আগামী প্রজন্মকে সর্বদাই অনুপ্রাণিত করবে।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।