নিউজ ডেস্ক: আমেঠিতে আশা দেখছেন না রাহুল গান্ধী। সেই কারণেই দক্ষিণ ভারতের রাজ্য কেরলের ওয়ানাড কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন কংগ্রেস সভাপতি। প্রকাশ্য জনসভায় দাঁড়িয়ে অনেক আগেই এই দাবি করেছিলেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ।

গত লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুটি লোকসভা কেন্দ্র থেকে লড়াই করেছিলেন৷ দুটি কেন্দ্র থেকেই ভোটে জয়ী হন তিনি৷ এবার সেই পথে হেঁটেছিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী৷ নিজের গড় আমেঠি ছাড়া কেরলের ওয়ানাড কেন্দ্র থেকে লড়েন সোনিয়া পুত্র৷ গত মার্চ মাসের ৩১ তারিখে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রাহুলের দুই কেন্দ্রের প্রার্থীপদের কথা ঘোষণা করা হয়।

কেরলের ওয়ানাড কেন্দ্র থেকে রাহুলের প্রার্থীপদের কথা ঘোষণা হওয়ার দিনে উত্তর প্রদেশের বিজানোর জেলার নাগিনা শহরে সভা ছিল বিজেপির। ওই শহরের ধম্পুর এলাকায় আয়োজিত সেই সভায় হাজির ছিলেন অমিত শাহ। সেই সভা থেকে কড়া ভাষায় কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ করেন মোদীর সেনাপতি।

নাগিনার সভায় যাওয়ার পথে সোশ্যাল মিডিয়া মারফত রাহুলের দক্ষিণ ভারত থেকে প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছিলেন অমিত শাহ। সভায় বক্তব্য রাখার সময়ে তিনি বলেন, “হোয়াটসঅ্যাপে পড়লাম আমেঠিকে পিছনে রেখে কেরলের উদ্দেশ্যে ছুটেছেন রাহুল গান্ধী। কেন কেরলের উদ্দেশ্যে দৌড় দিলেন রাহুল?” প্রকাশ্য জনসভায় এই প্রশ্ন ফের নিজেই উত্তর দিয়ে দিয়েছিলেন অমিত শাহ। তিনি বলেছিলেন, “আমাদের সকলেরই জানা আছে যে আমেঠিতে রাহুল গান্ধী কী করেছেন। জয় নিয়ে অনিশ্চয়তা আছে। সেই কারণেই তিনি কেরলে যাচ্ছেন নতুন রাজনৈতিক জমি খুঁজতে।”

দেশের দুই প্রান্তের মধ্যে সমতা বজায় রাখার জন্য উত্তর এবং দক্ষিণ ভারতের দুই কেন্দ্র থেকে তিনি প্রার্থী হয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী।

দলের সর্বভারতীয় সভাপতির সুরেই সুর মিলিয়েছিলেন মোদী সরকারের মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। এই স্মৃতির উপরেই আমেঠিতে কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধ্বে দাঁড় করিয়েছিল পদ্ম শিবির। ২০১৪ সালেও তিনিই ছিলেন বিজেপির বাজি। যদিও সেই সময়ে দেশ জড়া প্রবল মোদী ঝড়ের মাঝেও তিনি রাহুল গান্ধীর কাছে হেরে গিয়েছিলেন।