নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সোমবার রাজ্যসভায় জম্মু কাশ্মীরে আর্টিক্যাল ৩৭০ বাতিলের কথা ঘোষণা করেছেন। যা অবশ্যই ঐতিহাসিক। প্রায় ৭০ বছরের বেশি ধরে চালু এই ধারা মুছে যাওয়া নিয়ে রীতিমত শোরগোল শুরু হয়েছে দেশ জুড়ে। পাশাপাশি রয়েছে রাজনৈতিক হিসেব-নিকেশ। দ্বিতীয় দফায় মোদী সরকারের এই মাইলস্টোন যা জন্ম দিয়েছে বহু জল্পনার, তৈরি হয়েছে বিরোধীদের মধ্যে অস্বস্তি। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিশ্চিত হাসিমুখ প্রথমে প্রশ্ন জাগালেও মানেটা ঠিক তখনও বোধগম্য হয়নি অনেকেরই। তবে রাজ্যসভায় প্রবেশ থেকে প্রস্থান, তাঁর প্রত্যয় ছিল চোখে পড়ার মত।

প্রথমেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নথি হাতে হাতজোড় করে তোলা ছবি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সবার। ঐতিহাসিক জম্মু কাশ্মীরের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের পরিকল্পনা মাফিক এগিয়ে যাওয়া প্রকাশ পেয়েছে সেই ছবিতেই।

এই ছবির ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই অমিত শাহ রাষ্ট্রপতির বিজ্ঞপ্তি পরে শুনিয়ে জম্মু কাশ্মীরে ৩৭০ নম্বর ধারার অবলুপ্তির কথা ঘোষণা করেন। জম্মু কাশ্মীর বিধানসভা সহ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, অন্যদিকে লাদাখ হবে বিধানসভাবিহীন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।

এই সিদ্ধান্তের পরই সোমবার রাতে কাশ্মীরের বিরোধী শিবিরের একাধিক নেতা-নেত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। রবিবার রাতে গৃহবন্দি থাকার পরই জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি ও ওমর আবদুল্লাকে গ্রেফতার করা হয়। তারপরেই নথিগুলির গুরুত্ব স্পষ্ট হয়। তার আগে থেকেই শুরু হয়েছিল কেন্দ্রের প্রস্তুতি। গত কয়েকদিনে হাজারখানেক সেনা মোতায়েন করা হয় কাশ্মীরে।