নিউজ ডেস্ক, গান্ধীনগর: বিতর্কের জবাব দিলেন শাহ। ৫ লক্ষের বেশি ভোটে জিতে ভোটে আদবানির রেকর্ড ছাপিয়ে গেলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ।

গুজরাতে গান্ধীনগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা লালকৃষ্ণ আদবানীর বদলে অমিত শাহের নাম ঘোষণা করায় বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। নরেন্দ্র মোদীকে কটাক্ষ করে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, ওরা বর্ষীয়ানদের সম্মান করতে জানেন না তো দেশকে কিভাবে সম্মান করবেন। উত্তরে এই প্রসঙ্গে তেমন প্রতিক্রিয়া দিতে শোনা যায় নি প্রধানমন্ত্রীকে।

কিন্তু ২৩ মে সমস্ত কটাক্ষের জবাব দিলেন অমিত শাহ। নিঃশব্দে বুঝিয়ে দিলেন গান্ধীনগরের মানুষ তাঁকে চাইছেন। এদিন গণনা চলাকালীন ৫ লক্ষ ভোটে এগিয়ে রইলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। যা বিগত বছরে লালকৃষ্ণ আদবানীর রেকর্ডকে ছাপিয়ে গিয়েছে।

এবার গান্ধীনগরে লড়াই হচ্ছে মূলত বিজেপি প্রার্থী অমিত শাহ এবং কংগ্রেস প্রার্থী ড. সি জে চাওদার মধ্যে। গুজরাতের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ আসন গান্ধীনগর। বিজেপির বহু বর্ষীয়ান নেতা লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন ওই আসন থেকে। শুধু প্রার্থীই নয়, সেই সঙ্গে জিতেও এসেছেন। এবারও জিততে চলেছেন। তবে প্রার্থীর আলাদা।

বিগত ৬ টি লোকসভা আসনে ওই আসন থেকে জিতে এসেছেন আদবানী। কিন্তু ২০১৯এ এসে সেই জেতা আসন থেকেই বর্ষীয়ান নেতার নাম সরিয়ে অমিত শাহের নাম তালিকায় আনা হয়।